বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এখনই চায় ভারত, জিনপিংয়ের সামনে মোদী

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এখনই চায় ভারত, জিনপিংয়ের সামনে মোদী
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এবং সেখানে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে আবারও সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের প্রারম্ভিক ভাষণেই এই বিষয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘অনেক হয়েছে, আর দেরি করা যাবে না। নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার হোক এখনই।’ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের এই দাবি নতুন নয়, তবে শনিবারের এই সওয়াল এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী যখন রাষ্ট্রপুঞ্জের খোলনলচে বদলানোর এই জোরালো সওয়াল করছেন, তখন তাঁর ঠিক সামনেই দর্শকাসনে বসে ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

কূটনৈতিক শিবিরের মতে, জিনপিংয়ের উপস্থিতিতে মোদীর এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ বহু বছর ধরে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার জন্য সওয়াল করে আসছে নয়া দিল্লি। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক এবং দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভারতের এই দাবি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বের প্রথম সারির মহাশক্তিধর দেশগুলি ইতিমধ্যেই ভারতকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার পক্ষে সায় দিয়েছে। একমাত্র ব্যতিক্রম এবং প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে চীন। তারা বারবার তাদের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে ভারতের এই ন্যায্য অধিকারের পথে পাঁচিল তুলে দাঁড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে খোদ চীনের রাষ্ট্রপ্রধানের চোখের দিকে তাকিয়ে ব্রিকসের মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদীর এই হুঙ্কার অত্যন্ত দূরদর্শী পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী সাফ জানান, গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আর কেবল নিয়ম মেনে চলার ভূমিকায় রাখা যাবে না, তাদের নিয়ম গড়ার কারিগর করে তুলতে হবে। নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রক্রিয়াকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বেঁধে ফেলারও দাবি জানান তিনি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, জিনপিংয়ের সামনে দাঁড়িয়েই এই বক্তব্য প্রকাশ করে মোদী আসলে বেজিংয়ের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিলেন। এখন দেখার, দিল্লির এই মঞ্চ থেকে চিন তাদের অনড় অবস্থান বদলানোর কোনও ইঙ্গিত দেয় কি না।

আরও দেশ খবর