বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
পঞ্চমীতে স্কন্দমাতা
সন্দীপ সিনহাসন্দীপ সিনহা
পানাগড় ও মানকরের মাঝে স্টেশনের দাবিতে স্মারক লিপি মুখ্যমন্ত্রীকে
ভাইফোঁটায় নিরঞ্জন, ময়নাপুরের দেওয়ানবাড়িতে ৩৭১ বছরের প্রাচীন পুজো
মহিলা পরিচালিত কাঁকসার ‘আন্তরিক’ পুজোর উদ্বোধন করলেন স্বামী আত্মানন্দজী
দিল্লির অশান্তির আঁচ বাংলায় পড়তে দেব না: শুভেন্দু
অনিয়মের অভিযোগে বাদ একাধিক টিপিএ সংস্থা
গ্রাম সড়ক যোজনায় ত্রুটি সংশোধনের সময় বাড়াল কেন্দ্র
পোস্টার বিকৃতি রুখতে প্রেসিডেন্সিতে কড়া উচ্চশিক্ষা দপ্তর
১৭ রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনে নামছে কমিশন
পুজোর আগে দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় সুখবর, জন্ম নিল তিন হিমালয়ান গড়াল শাবক
ডিজে-মোবাইলের দাপট সরিয়ে পুজোয় ফিরছে যাত্রা, রঘুনাথপুরে শতাধিক গ্রামে আসর
১৫ লক্ষ টাকার প্রতারণা মামলা: হাইকোর্টে খারিজ সোহমের আগাম জামিন
বেলুড় মঠের নিয়ম মেনে দুর্গাপুজোর আয়োজন হয় কাঁকসার দোমড়া রামকৃষ্ণ আশ্রমে
উড়ালপুলের রঙে বাইক দুর্ঘটনা: শুভেন্দুর নির্দেশে তদন্ত
পুজোর মুখে বিপুল নিয়োগের সিদ্ধান্ত রাজ্যে, মন্ত্রিসভায় সবুজ সংকেত
Section Background

আপনার
আজকের দিনটি
কেমন যাবে ?

Hand Pointing
পানাগড় ও মানকরের মাঝে স্টেশনের দাবিতে স্মারক লিপি মুখ্যমন্ত্রীকে

পানাগড় ও মানকরের মাঝে স্টেশনের দাবিতে স্মারক লিপি মুখ্যমন্ত্রীকে

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুরঃ পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের কোটা চন্ডিপুর এলাকায় হল্ট স্টেশনের দাবি জানিয়ে রাজের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দিলেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি এর আগেও একাধিকবার আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। তবে রাজ্যে পরিবর্তনের পর তাঁদের আশা আবেদনপত্র খতিয়ে দেখা হবে। পানাগড় এবং মানকর স্টেশনের মধ্যে অবস্থিত কোটা চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দাদের স্টেশনের দাবি দীর্ঘদিনের। তাঁরা জানান, এই দাবি দীর্ঘদিনের। দুই দশক আগে স্টেশনের দাবিতে আসানসোল ডিআরএম অফিসে তিন দিন লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু তারপর আর কাজ এগোয়নি। পরে তৃণমূল আমলেও একাধিকবার বিষয়টি সরকারের নজরে নিয়ে এসেও কোন লাভ হয়নি। বিজেপি নেতা কিষান কর্মকার বলেন, এখন রাজ্যে বিজেপি সরকার এসেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রয়াসে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। আমরা লিখিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। এখানে হল্ট স্টেশন হলেও এর গুরুত্ব যথেষ্ট রয়েছে। এলাকায় রয়েছে শিল্পতালুক। সেখানে বহু মানুষ কাজ করতে আসেন। এখানে স্টেশন হলে বহু মানুষের উপকার হবে। তাছাড়া শ্যামসুন্দরপুর, বলরামপুর, পণ্ডালি সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের ট্রেন ধরতে আর পানাগড় বা মানকর যেতে হবে না। এলাকার বাসিন্দা বাসুদেব আঁকুড়ে বলেন, আমাদের এখান থেকে মানকর বা পানাগড় যাওয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা সরাসরি কিছু নেই। উভয় ক্ষেত্রেই দূরত্ব প্রায় ছয় থেকে আট কিলোমিটার। রাতে ট্রেন থেকে নামলে এই স্বল্প দূরত্বের রাস্তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা টোটো ভাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। দিনের বেলা এই দুটি স্টেশন যেতে হলে হয় বাইক না হলে টোটোর উপর নির্ভর করতে হয়। না হলে উনিশ নম্বর জাতীয় সড়কে গিয়ে বাসে পানাগড় গিয়ে ট্রেন ধরতে হয়। তিনি জানান, রেললাইনের পাশেই রয়েছে পানাগড় সেনা ছাওনি। এখানে হল্ট স্টেশন হলে বহু সৈনিক সরাসরি ট্রেন ধরতে পারবেন। কিষানবাবু বলেন, বিজেপি সরকার আসার পর এই প্রথম আবেদন পত্র দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে আশ্বাসও মিলেছে বিষয়টি দেখার। আমরা আশাবাদী মানবিক সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখবে। এলাকার বাসিন্দা তথা সিপিএম নেতা কোহিনুর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এখানে স্টেশনের দাবি প্রায় ৪০ বছরের। বারোটিরও বেশি গ্রাম এবং শিল্পতালুকের শ্রমিকদের যাতায়াতে সুবিধা হবে। রেল স্টেশন হওয়া অবশ্যই দরকার। অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানাচ্ছি। কংগ্রেস নেতা পূরব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শিল্পতালুক হওয়ার পর থেকেই এলাকায় জনবসতি বাড়ছে। তাই মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ওখানে অবশ্যই হল্ট স্টেশন দরকার। বর্ধমান আসানসোল লাইনে ঈশান চন্ডী হল্ট স্টেশন রয়েছে। এখানেও হল্ট স্টেশন করা হোক।

খেলা

বিশ্বজয়ীদের জঘন্য হার, হায়দরাবাদে সিরিজ বাঁচাল ক্যারিবিয়ানরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: পরপর দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের পারফরম্যান্স দেখে তা বোঝার বিন্দুমাত্র উপায় নেই! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতের জঘন্য বোলিং, দিশেহারা ফিল্ডিং এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং চরম হতাশায় ডুবাল দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তোলা ৩ উইকেটে ২৪৭ রানের স্কোরের জবাবে ১৯.৩ ওভারে ২২৩ রানেই গুটিয়ে গেল ভারতের ইনিংস। ২৪ রানে ম্যাচ জিতে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-২ সমতা ফেরাল শাই হোপের ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড। এ দিন টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক। কিন্তু রাজীব গান্ধীর ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ভারতীয় বোলারদের সাধারণ মানের ক্লাব স্তরে নামিয়ে আনলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। দিশেহারা বোলিংয়ের ফায়দা তুলে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রানের পাহাড় গড়ে তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারতের ফিল্ডিংও ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। ক্যাচ ফেলার পাশাপাশি গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ে একাদিক গলদ বোলারদের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। রান তাড়া করতে নেমে ভারতের প্রয়োজন ছিল বিস্ফোরক শুরু ও দায়িত্বশীল ব্যাটিং। কিন্তু শুরু থেকেই ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলার প্রবণতা দেখা যায়। মাঝেমধ্যে দু-একটি বড় পার্টনারশিপ আশা জাগালেও, ম্যাচের রাশ কখনই পুরোপুরি ভারতের হাতে আসেনি। শেষ পর্যন্ত ১৯.৩ ওভারে ২২৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। ২৪ রানের এই হারে সিরিজের ভাগ্য এখন ঝুলে রইল পঞ্চম তথা শেষ ম্যাচের ওপর। বিশ্বজয়ীদের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই কাটাছেঁড়া শুরু করে দিয়েছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন
বিশ্বজয়ীদের জঘন্য হার, হায়দরাবাদে সিরিজ বাঁচাল ক্যারিবিয়ানরা