বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
নিজের টাকা খরচ করে ‘আদর্শ’ বার্তা ভাতারের বিধায়ক সৌমেনের 
নেপালের হড়পা বানের কোপ, ভারতে ভেসে এল দেহ
স্মরণে প্রসন্নকুমার: ঊনবিংশ শতকের আলোকবর্তিকা ও এক আধুনিক বাঙালি
নন্দীগ্রামে মিডডে মিল পরিদর্শনে জেলাশাসক
দুর্নীতি রুখতে পঞ্চায়েতে স্পেশাল অডিট, কড়া বার্তা মন্ত্রী দিলীপের
বাংলা ও অসমে ভাট্টি গ্যাংয়ের বিস্ফোরণের ছক
গণকবরের পথে নেপাল, জরুরি নির্দেশ জারি
ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির অবসান চান মুখ্যমন্ত্রী
মমতার বিরুদ্ধে মামলা কলকাতা পুলিশের
দাতা ভিক্ষুকের সম্পর্ক
সন্দীপ সিনহাসন্দীপ সিনহা
আশিসের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, জড়িয়ে ধরলেন ছেলেকে
জেলে জঙ্গি সেলে মোবাইল, শোরগোল রাজ্যে
সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান, বাতিল শো
দশম পাশেই সরকারি চাকরি, ডাকবিভাগে বড় সুযোগ
এশিয়ান গেমসের আগে ধাক্কা, ছিটকে গেলেন নীরজ
Section Background

আপনার
আজকের দিনটি
কেমন যাবে ?

Hand Pointing
নিজের টাকা খরচ করে ‘আদর্শ’ বার্তা ভাতারের বিধায়ক সৌমেনের 

নিজের টাকা খরচ করে ‘আদর্শ’ বার্তা ভাতারের বিধায়ক সৌমেনের 

নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান: “রাজনীতিতে সবাই ডাকাত বা শুধু সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে আসে না।” প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের স্ত্রীর প্রসবের সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার সরকারি বিল বিঁধে এমনই বক্তব্য পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন কার্ফা। তৃণমূল জমানার বিপুল ঋণের বোঝা ও করদাতার টাকার অপচয় রুখতে নিজের স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সম্পূর্ণ বিল পারিবারিক ও ব্যবসায়িক তহবিল থেকে মিটিয়ে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন তিনি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে ‘আদর্শ জনসেবা’ ও ‘দেশপ্রেম’-এর এক বিরল বার্তা হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি বিজেপি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার কন্যাসন্তান হয়েছে। কলকাতার একটি প্রথম সারির বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর স্ত্রীর প্রসবের জন্য কয়েক লক্ষ টাকার বিল হয়। এক জন বিধায়ক হিসেবে এই খরচের সবটুকু সরকারি তহবিল থেকে নেওয়ার আইনি অধিকার তাঁর ছিল। কিন্তু চিকিৎসাকেন্দ্রের বিল তিনি নিজের পকেট থেকেই মেটানোর সিদ্ধান্ত নেন। এই বিষয়ে বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “তৃণমূলের কাঞ্চন মল্লিকদের মতো মানসিকতা সবার নয়, যাঁরা সরকারি অর্থে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার বিল জমা করেন। আমি আমার পারিবারিক ও ব্যবসায়িক উপার্জনের টাকা দিয়ে সন্তানের হাসপাতাল বিল মিটিয়েছি। এখনও অনেকে মানুষ, আদর্শ ও জনসেবার নেশায় ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ান।” নিজের রাজনৈতিক গুরু ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আদর্শ মেনে সৌমেনবাবু আরও জানান, শুভেন্দুবাবুও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনও সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেন না। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই তাঁর এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। বিধায়কের কথায়, “নির্বাচিত হওয়ার পর জানতে পেরেছি বিগত সরকারের কয়েক লক্ষ হাজার কোটি টাকার দেনা রয়েছে সাধারণ মানুষের মাথায়। তাই নিজের অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকতে কেন আমি সরকারের করের টাকা খরচ করব?” তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করে ভাতারের বিধায়ক স্পষ্ট জানান, সবাই যেন আয়নায় নিজের মুখ দেখে অন্য সবাইকে তাঁদের মতো সুবিধাবাদী না ভাবেন। এই ঘটনার পর জেলার রাজনৈতিক মহলে সৌমেন কার্ফার এই সততা ও ভিন্ন রাজনৈতিক মনোভাব নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা শুরু হয়েছে।

খেলা

ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির অবসান চান মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রের সামগ্রিক হাল ফেরাতে এবং পরিকাঠামোগত সংস্কারের লক্ষ্যে একগুচ্ছ বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে নবান্ন সভাঘরে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলার খেলায় মেধা ও প্রতিভার অভাব নেই, কিন্তু অভাব রয়েছে সঠিক ব্যবস্থা ও সদিচ্ছার। বিগত বামফ্রন্ট সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি অভিযোগ করেন, যোগ্য খেলোয়াড়দের ফাইল বছরের পর বছর মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা জানলে অবাক হবেন, আজ যাঁরা সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র পেলেন, তাঁদের মধ্যে অনেকের কাগজ দীর্ঘ ১১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পড়ে ছিল। এই উদাসীনতার কারণেই ক্রীড়াবিদরা তাঁদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।” ওড়িশা বা ঝাড়খণ্ডের মতো প্রতিবেশী রাজ্যগুলির উদাহরণ টেনে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, গত কয়েক বছরে অলিম্পিক, এশিয়াড কিংবা জাতীয় দলে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব প্রায় শূন্যে এসে ঠেকেছে। রাজ্যের ক্রীড়া সংস্থাগুলির অভ্যন্তরীণ দলাদলি ও রাজনীতির দিকে আঙুল তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাঙালির মধ্যে মেধা, বুদ্ধি, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা সব রয়েছে। কিন্তু এখানে সঠিক ব্যবস্থা, উদ্যোগ এবং সদিচ্ছার বড় অভাব। প্রতিটি ক্রীড়াক্ষেত্র বা সংগঠন কেন রাজনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে?” তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, এবারের পরিবর্তনের মূল লক্ষ্যই হবে এই নোংরা ব্যবস্থার পরিবর্তন করা, যা তাঁর সরকার নিশ্চিতভাবে করে দেখাবে। এ দিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অলিম্পিয়ান তথা প্রাক্তন কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় গুরুবক্স সিং, রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ এবং সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (এআইএফএফ) সভাপতি কল্যাণ চৌবে। অনুষ্ঠানে কৃতী ক্রীড়াবিদদের হাতে চাকরির প্রশংসাপত্র ও আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন পরিকাঠামো গড়ার এই বার্তা ক্রীড়াক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখাতে পারে।

আরও পড়ুন
ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির অবসান চান মুখ্যমন্ত্রী