এক ঘণ্টাতেই ‘হাউসফুল’ মোদীর সভার টিকিট, ওয়েটিং লিস্টে আরও ৪২ হাজার
নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশের প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আসনও যে মাত্র এক ঘণ্টায় ‘হাউসফুল’ হয়ে যেতে পারে, তা নজিরবিহীন। গুজরাতের ভদোদরায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মেগা কর্মসূচি ঘিরে এমনই এক অভিনব কোলাহল তৈরি হল। ভদোদরা পুরনিগমের উদ্যোগে জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘বুক মাই শো’ (BookMyShow)-এর মাধ্যমে এই সভার জন্য বিনামূল্যে আসন বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর সেই বুকিং উইন্ডো খোলার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে গেল সমস্ত টিকিট! পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, আসন না পেয়ে এখনও প্রায় ৪২ হাজার মানুষ ওয়েটিং লিস্টে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
ভদোদরার মহারাজা সয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয় (MSU) প্যাভিলিয়ন প্রাঙ্গণে ‘নমো ফর বিকশিত ভারত’ নামে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রচলিত রাজনৈতিক সভার চেনা ছক ভেঙে এবার সম্পূর্ণ আধুনিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সাজানো হচ্ছে এই আয়োজনকে। পুরসভা সূত্রে খবর, যাঁরা টিকিট বুক করতে পেরেছেন, তাঁরা নিজেদের ফোনে কিউআর (QR) কোডযুক্ত ডিজিটাল এম-টিকিট পাবেন। সেই ডিজিটাল পাস দেখিয়েই মিলবে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের ছাড়পত্র। টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় আপাতত নতুন করে নাম নথিভুক্তকরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তর করার যে স্বপ্ন কেন্দ্র দেখিয়েছে, সেই ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা নিয়েই এই সভায় আলোচনা হবে। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই মঞ্চে মূলত সাধারণ নাগরিক, তরুণ শিক্ষার্থী, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, নবীন উদ্যোক্তা, শিল্পজগতের দিকপাল এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একত্রিত হবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি কেউই, যা এই বিপুল উন্মাদনা থেকেই স্পষ্ট। এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই ভদোদরা তথা গুজরাতের সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

