বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

বন্দে মাতরম্ বিতর্কে জোটসঙ্গী কংগ্রেসকে ওমরের তোপ, ‘ইন্ডিয়া’য় ফাটলের জল্পনা

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বন্দে মাতরম্ বিতর্কে জোটসঙ্গী কংগ্রেসকে ওমরের তোপ, ‘ইন্ডিয়া’য় ফাটলের জল্পনা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: জম্মু-কাশ্মীরে নবগঠিত জোট সরকারের মধুচন্দ্রিমা কাটতে না কাটতেই এবার ‘বন্দে মাতরম্’ গানকে কেন্দ্র করে তীব্র বিবাদে জড়াল ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) এবং কংগ্রেস। একটি সরকারি অনুষ্ঠানে কেন জাতীয় সংগীতের পুরো অংশ (ছয়টি স্তবক) গাওয়া হলো, তা নিয়ে শরিক দল কংগ্রেসের আপত্তির কড়া জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা। ক্ষুব্ধ ওমরের পাল্টা প্রশ্ন, “আপনারা কি কাশ্মীরিদের জেলে পাঠাতে চান?” ভূ-স্বর্গের এই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এবার জাতীয় স্তরে বিজেপি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটে ফাটল ধরার জল্পনা তৈরি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত শ্রীনগরে আয়োজিত জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা এবং এনসি প্রধান ফারুক আব্দুল্লার উপস্থিতিতে ‘বন্দে মাতরম্’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণটি গাওয়া হয়। নিয়ম মেনে দুই নেতাই ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের পুরো গানটিতে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। এতেই আপত্তি তোলে কংগ্রেস। এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল এনসি-কে ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানান, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ঐতিহ্য মেনে শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক গাওয়া উচিত ছিল।

কংগ্রেসের এই সমালোচনার পরই কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব দিয়েছেন ওমর আব্দুল্লা। তিনি সাফ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে ন্যাশনাল কনফারেন্স কখনই বন্দে মাতরম্ গ্রহণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তবে সরকারি অনুষ্ঠানে এই নিয়মের ব্যতিক্রম করার কোনো জায়গা নেই। ওমর বলেন, “সংসদেই এই আইন পাস করা হয়েছে। সরকারি স্তরে পুরো গানটি গাওয়া এখন একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। যে অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ও বিচারপতিরা উপস্থিত রয়েছেন, সেখানে আইন অমান্য করলে শাস্তি নিশ্চিত। তাহলে কি কংগ্রেস চায় কাশ্মীরিরা গান না গেয়ে জেলে যাক?” কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “কংগ্রেসের যদি আপত্তি থাকে, তবে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে সংসদে এই আইন বাতিল করুক, আমাদের কোনো আপত্তি নেই।” 

জম্মু-কাশ্মীরের শাসক জোটের এই প্রকাশ্য কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে ইতিমধেই জাতীয় রাজনীতি উত্তাল। বিশেষ করে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দুই অন্যতম প্রধান শরিকের মধ্যে জাতীয় সংগীত নিয়ে এমন মেরুকরণ বিরোধী শিবিরের অস্বস্তি বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ফাটল যদি দ্রুত মেরামত না করা যায়, তবে আগামী দিনে দেশজুড়ে বিরোধী জোটের ঐক্য বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে।

আরও দেশ খবর