বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

পানাগড়ে হোটেলে অভিযান, মিলল মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয়

প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পানাগড়ে হোটেলে অভিযান, মিলল মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয়
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুরঃ কাঁকসার দার্জিলিং মোড় এলাকার বেশ কয়েকটি হোটেল সহ একটি কলা স্টোরে মঙ্গলবার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালালেন। এদিন কলার স্টোরে যে রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানো হয় সেটির নমুনা সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা। একই সঙ্গে হোটেল, রেস্টুরেন্টের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন পানীয় পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যায়। দপ্তরের আধিকারিক শুভম ঘোষ বলেন, কয়েকটি হোটেলকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খাদ্যে ভেজাল রুখতে পানাগড় বাজারে কয়েকদিন আগে একাধিক মিষ্টি, বিরিয়ানির দোকান, রেস্তোরাঁতে অভিযান চালানো হয়েছিল। সেদিন বেশ কয়েকটি দোকানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এদিন দুপুরে আধিকারিকেরা দার্জিলিং মোড় এলাকার বেশ কয়েকটি হোটেল, রেস্তোরাঁতে অভিযানে নামেন। কাঁকসা থানার পুলিশও অভিযানে ছিল। এদিন প্রথমে আধিকারিকরা একটি নামকরা হোটেলে হাজির হন। সেখানে খাবারের সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখেন তাঁরা। হোটেলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আধিকারিকেরা। কাগজপত্রও খতিয়ে দেখেন। এরপর রাস্তার উল্টোদিকে থাকা আর একটি হোটেলে যান। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মেয়াদ উত্তীর্ণ বেশ কয়েকটি শীতল পানীয় পাওয়া যায় সেখানে। সেগুলি কেন এতদিন ধরে রাখা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরে সব ফেলে দেওয়া হয়। পাশে থাকা আরেকটি হোটেলে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন খাবারে যে হলুদের ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে রাসায়নিক মেশানো রয়েছে। তিনটি জায়গায় অভিযানের পর তাঁরা দার্জিলিং মোড়ের একটি কলার স্টোরে হানা দেন। যে রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানো হচ্ছে সেই রাসায়নিক খতিয়ে দেখেন তাঁরা। এক আধিকারিক জানান, ইথিলিন গ্যাস দিয়ে ফল পাকানো অনুমোদিত। কিন্তু কতটা পরিমানে দিচ্ছেন তা ওনারা দেখাতে পারেননি। গ্যাসের কন্টেনার ও কলা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, দার্জিলিং মোড়ের ওই হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলিতে প্রতিদিন বহু মানুষ খাবার খেতে যান। খাদ্য-বিধি মেনে চলছে কি না অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিৎ। নিয়মিত এই অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন দপ্তরের আধিকারিকেরা।