বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

রাজ্যে ছাত্রভোট নিয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬
রাজ্যে ছাত্রভোট নিয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: তৃণমূল জমানায় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ছাত্র সংসদ নির্বাচন ফের চালু করতে চলেছে নতুন রাজ্য সরকার। শুক্রবার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে সঙ্ঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)-র ডাক্তারি পড়ুয়াদের সর্বভারতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই বিষয়ে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আগামী বছরই (২০২৭ সালে) রাজ্যের সমস্ত উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বন্ধ থাকা ছাত্রভোট পুনরায় চালু করার দাবি উঠছিল বিভিন্ন মহল থেকে। এদিন আর জি করের মঞ্চ থেকে সেই চর্চায় সিলমোহর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিনগুলির কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সকলেই ছাত্র রাজনীতির ফসল। কলেজের ভোটে ক্লাসের ফাঁকে বন্ধুদের মাঝে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করতে করতেই আজ এই জায়গায় এসে পৌঁছেছি। তাই ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও ছাত্রপ্রতিনিধিত্বের জন্য ভোট হওয়া অত্যন্ত জরুরি।’’
এদিনের সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বে থাকা এবিভিপি পর্যবেক্ষকের সঙ্গে ছাত্র নির্বাচন নিয়ে তাঁর ইতিমধ্যেই সদর্থক আলোচনা হয়েছে। পর্যবেক্ষকের বক্তব্য উদ্ধৃত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘উনি আমাকে আগামী বছরই ছাত্র সংসদের ভোট করিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। আমি আশাবাদী, আগামী বছর নির্বাচন হলে রাজ্যের সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ও রাষ্ট্রবাদীদের জয়জয়কার হবে এবং ক্যাম্পাসগুলিতে ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি শোনা যাবে।’’
মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের শিক্ষা ও রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোড়ন তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন পর ক্যাম্পাসে ভোটের বাদ্যি বাজার এই ইঙ্গিতে সাধারণ পড়ুয়ারা যেমন আশার আলো দেখছেন, তেমনই নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট করানো নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলিও। তবে পুজোর মুখে আর জি করের মতো সংবেদনশীল চত্বরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই বড় ঘোষণা যে আগামী দিনে বাংলার ছাত্র রাজনীতিতে এক নতুন মোড় আনতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।