বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

অবাধ ভোটের দাবিতে থানার সামনে চেয়ার পেতে অনশনে বিধায়ক হুমায়ুন

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
অবাধ ভোটের দাবিতে থানার সামনে চেয়ার পেতে অনশনে বিধায়ক হুমায়ুন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

রিচা দত্ত, মুর্শিদাবাদ: ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চাপ বাড়ছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের। ভাইরাল অডিও-কাণ্ডে পরপর দু’দিন বহরমপুর থানায় হাজিরা, তার মধ্যেই দলের নেতাকে গ্রেপ্তার — সব মিলিয়ে শিরে সংক্রান্তি পরিস্থিতি। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার নিজের চেয়ার নিজে বয়ে এনে রেজিনগর থানার সামনে ধরনায় বসলেন তিনি।

 

এদিন সকাল ৮টা থেকেই থানার সামনে অনশন শুরু করেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে হবে।

 

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, "মনোনয়ন, স্ক্রুটিনি, প্রতীক বণ্টন সব শেষ। সব দল প্রচারে নেমেছে। কিন্তু পুলিশ একচোখা আচরণ করছে। এক পক্ষকে নির্বিঘ্নে ফ্ল্যাগ লাগাতে দিচ্ছে, আমাদের কর্মীদের বাধা দিচ্ছে।"

 

শুধু প্রচারে বাধা নয়, ভোটারদের ভয় দেখানোর গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, "মুসলিম ভোটারদের বলা হচ্ছে ভোট দিতে আসতে হবে না। ৬ তারিখ পর্যন্ত এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে। বিনা এফআইআরে কর্মীদের তুলে আনা হচ্ছে। বাড়ির মহিলাদের ভয় দেখিয়ে বলা হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে বাইরে চলে যেতে।"

 

বেলডাঙা, রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার ওসি-আইসিদের অপসারণের দাবিও জানিয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, "এই দালাল অফিসাররা চেয়ারে থাকলে সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়। নিরপেক্ষ অফিসার দিয়ে ভোট করাতে হবে, যাতে রেজিনগরের মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছি।"

 

পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি না মানা হলে ভোটের দিনও থানার সামনে সারাদিন অনশন চালিয়ে যাবেন।

 

যদিও পুলিশের তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই নিরপেক্ষভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিধায়ক। তাঁর এই অভিনব অনশনকে ঘিরে রেজিনগরের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।