বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মার্কিন মুলুকে ফের কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মার্কিন মুলুকে ফের কড়া বার্তা জয়শঙ্করের
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার মঞ্চ কাঁপানোর পর, এ বার আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়েই ওয়াশিংটনকে সরাসরি সতর্ক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। নিউ ইয়র্কে ‘এশিয়া সোসাইটি’র একটি অনুষ্ঠানে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট কথা বললেন তিনি। জয়শঙ্কর সাফ জানিয়েছেন, বাণিজ্য কিংবা শুল্কের সমস্যা তো রয়েইছে, তবে তার চেয়েও বড় উদ্বেগ হল সন্ত্রাসবাদ। ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই প্রাথমিক সমস্যাটিকে যদি ওয়াশিংটন যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে না দেখে, তবে তার নেতিবাচক প্রভাব দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়তে বাধ্য।

কূটনৈতিক মহলের মতে, আমেরিকার সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সমঝোতায় প্রধান ‘কাঁটা’ হয়ে উঠতে পারে ওয়াশিংটনের বর্তমান পাক-ঘনিষ্ঠতা। পাকিস্তানের নাম সরাসরি না নিলেও, আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে ইসলামাবাদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের মাখামাখিকে যে নয়াদিল্লি মোটেও ভালো চোখে দেখছে না, তা আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্করের কথায়, “ভারতের কাছে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং উদ্বেগের বিষয়।” বহু দশক ধরে প্রতিবেশী দেশের মদতপুষ্ট পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদের শিকার হতে হয়েছে ভারতকে। কিন্তু আমেরিকার মতো সহযোগী বন্ধু দেশের মধ্যে ভারতের এই রক্তক্ষয়ী সমস্যা নিয়ে যে পরিমাণ সহমর্মিতা বা সমঝদারির প্রয়োজন ছিল, তার অভাব স্পষ্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিগত কয়েক মাসে বাণিজ্য শুল্ক এবং রাশিয়ার থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের সমীকরণ কিছুটা জটিল হয়েছে। সেই অস্বস্তির আবহেই পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার নতুন করে মাখামাখি শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়ে বিদেশমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, সন্ত্রাসবাদ ও বন্ধুত্ব কখনও একসঙ্গে চলতে পারে না। ভারত চায় আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত হোক, তবে তার আগে নয়াদিল্লির প্রধান নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়গুলিকে ওয়াশিংটনকে যথাযথ সম্মান দিতে হবে।