বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

কাশীতে এবার নিজস্ব ‘বঙ্গভবন’, অতিথি নিবাস গড়ছে রাজ্য

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর, ২০২৬
কাশীতে এবার নিজস্ব ‘বঙ্গভবন’, অতিথি নিবাস গড়ছে রাজ্য
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারাণসী বা কাশীতে বেড়াতে গিয়ে অথবা পুজো দিতে গিয়ে আর হোটেল খোঁজার হ্যাপা পোহাতে হবে না এ রাজ্যের মানুষকে। কারণ, খাস উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর বুকে এবার নিজস্ব অতিথিশালা বা ‘বঙ্গভবন’ গড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তীর্থনগরী বারাণসীর শতাব্দীপ্রাচীন এবং ঐতিহাসিক কোচবিহার কালীবাড়ি চত্বরের ফাঁকা জমিতেই তৈরি হবে এই অত্যাধুনিক ভবন। একই সঙ্গে সেখানে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা কালচারাল সেন্টার গড়ে তোলারও পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর।

বারাণসীর বিখ্যাত বাঙালি টোলা এলাকার কাছেই অবস্থিত বাবা বিশ্বনাথের মন্দির। সেখান থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে বি-১৩/৯৭ সোনারপুরা রোডের ঠিকানায় দাঁড়িয়ে রয়েছে এই ঐতিহাসিক কোচবিহার কালীবাড়ি। দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে নথিভুক্ত এই ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের অধীনে রয়েছে প্রায় ২.০৫৭ একর বিশাল জমি। এই চত্বরেরই ফাঁকা অংশকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের নতুন এই প্রকল্প রূপায়ণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ, রবিবারই রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধি দল সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এই কালীবাড়ি চত্বর পরিদর্শনে যাচ্ছেন।

এই ঐতিহাসিক মন্দিরটির নেপথ্যে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার রাজকীয় ইতিহাস। ১৮৩৬ সালে কোচবিহারের তৎকালীন মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণ ভূপ বাহাদুর এই কালীবাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে, ১৮৪৬ সালে তাঁর সুযোগ্য পুত্র মহারাজা শিবেন্দ্রনারায়ণ ভূপ বাহাদুরের হাত ধরে এই মন্দিরের নির্মাণকাজ সমাপ্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই চত্বরে পর্যটকদের থাকার সুব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি উঠছিল। এবার সেই ভাবনাই বাস্তবে রূপ পেতে চলেছে। রাজ্য সরকারের এই কালচারাল সেন্টার ও বঙ্গভবন প্রকল্প চালু হলে বারাণসীতে আসা আপামর রাজ্যবাসীর আবাসন সমস্যার যেমন স্থায়ী সমাধান হবে, তেমনই উত্তর ভারতের বুকে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক নতুন মেলবন্ধন তৈরি হবে।