বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

শক্তি কেন্দ্রে হামলা রুখতে রাজি পুতিন-জেলেনস্কি? ট্রাম্পের দাবি ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬
শক্তি কেন্দ্রে হামলা রুখতে রাজি পুতিন-জেলেনস্কি? ট্রাম্পের দাবি ঘিরে ঘনীভূত রহস্য
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: যুদ্ধবিধ্বস্ত রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে কি তবে আংশিক যুদ্ধবিরতি সম্পন্ন হলো? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে। গত কিছুদিন ধরে একে অপরের তৈল শোধনাগার এবং শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া এবং ইউক্রেন। এর ফলেই দুই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকাঠামো কার্যত বিপর্যস্ত। এই আবহে রবিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, শক্তিসম্পদে হামলা বন্ধের বিষয়ে একটি সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে দুই দেশ। তবে এই বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর জেলেনস্কি কটাক্ষের সুরে বলেছেন, ‘খবরটা জানতে পেরে খুশি হলাম’। জেলেনস্কির এই মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি পুতিন বা জেলেনস্কির সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই সম্পূর্ণ মনগড়া ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প?

শনিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প প্রথম দাবি করেন, দুই দেশ এই এনার্জি সিজফায়ারে রাজি হয়েছে। এরপর নিজস্ব সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ তিনি লেখেন, ‘রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে এনার্জি সিজফায়ার হয়েছে। অর্থাৎ দুই দেশ একে অপরের শক্তিসম্পদ লক্ষ্য করে হামলা চালাবে না। দুই দেশই এতে রাজি হয়েছে এবং এই মুহূর্ত থেকেই নতুন সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হয়েছে।’ নিজের পরিচিত ভঙ্গিমায় ট্রাম্প দুই রাষ্ট্রপ্রধানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও যোগ করেন, ‘সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন কোরো না যেন।’

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ট্রাম্পের এই স্বঘোষিত মধ্যস্থতা আদতে কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে বড়সড় সংশয় রয়েছে। কারণ কিভ বা ক্রেমলিন— কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির কথা এখনও স্বীকার করেনি। জেলেনস্কির শ্লেষাত্মক মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আমেরিকার এই দাবি সম্পর্কে ইউক্রেন প্রশাসন আগে থেকে কিছুই জানত না। এখন দেখার, ট্রাম্পের এই স্বঘোষিত ‘এনার্জি সিজফায়ার’ সত্যিই যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলে নাকি তা কেবলই মার্কিন প্রেসিডেন্টের একতরফা প্রচার হিসেবে থেকে যায়।