বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

সাগরে নতুন নিম্নচাপ, শনি পর্যন্ত ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সাগরে নতুন নিম্নচাপ, শনি পর্যন্ত ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসকে সত্যি করে বৃহস্পতিবার সকালেই উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নতুন নিম্নচাপ। আর এই আবহাওয়া বদলের জেরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ফের বৃষ্টির জাঁকানি শুরু হতে চলেছে। হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, এই নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাবে আজ শুক্রবার এবং আগামীকাল শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগরের এই ঘনীভূত নিম্নচাপের মূল ফোকাস আপাতত দক্ষিণবঙ্গের উপকূল এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির দিকেই। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়া জেলার কিছু কিছু অংশে আজ ও কাল ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই পাঁচ জেলা বাদে দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশে খুব বড় দুর্যোগের আশঙ্কা এখনই নেই। কলকাতা-সহ অন্যান্য জেলাগুলিতে সাধারণভাবে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘলা আকাশ আর দফায় দফায় পশলা বৃষ্টির জেরে গরমের অস্বস্তি কিছুটা কমবে ঠিকই, তবে সপ্তাহের শেষে অনেকেরই ছুটির মেজাজে জল পড়তে পারে।

তবে আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই নিম্নচাপটির প্রথম কামড় পড়বে প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশায়। প্রাথমিক পর্যায়ে ওড়িশার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ব্যাপক এবং তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেশি বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এরপর এই ঘূর্ণাবর্তটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। ফলে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মধ্য ও উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে জোরদার বর্ষণ শুরু হবে। মধ্যপ্রদেশ বা ছত্তীসগড়ের মতো এলাকাগুলিতে বৃষ্টির দাপট বাড়বে।

অন্য দিকে, এর পরোক্ষ প্রভাবে কিছুটা স্বস্তির বৃষ্টি পেতে চলেছে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশও। চলতি মরশুমে অন্ধ্রের ওই উপকূলবর্তী অঞ্চলে বর্ষাকালীন বৃষ্টির প্রচুর ঘাটতি রয়ে গিয়েছে। এই নিম্নচাপের মেঘ যদি সেখানে কিছুটাও স্বস্তি আনে, তবে তা চাষাবাদের ক্ষেত্রে বড়সড় অক্সিজেন দেবে বলেই মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।