বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

গিলগিট-বালতিস্তান ভারতের অংশ: কড়া বার্তা নয়াদিল্লির

প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৬
গিলগিট-বালতিস্তান ভারতের অংশ: কড়া বার্তা নয়াদিল্লির
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালতিস্তানে পাকিস্তান সরকারের নির্বাচনের আয়োজন নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে ভারত। ইসলামাবাদকে কড়া ভাষায় তোপ দেগে নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, গিলগিট-বালতিস্তান ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তান এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও বলপূর্বক দখল করে রেখেছে।

ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি কড়া বিবৃতি জারি করে এই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর মধ্যে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালতিস্তান এলাকাটিও অন্তর্ভুক্ত।" ভারত আরও অভিযোগ করেছে যে, বেআইনিভাবে দখল করা এই ভারতীয় ভূখণ্ডে সাধারণ মানুষের ওপর দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘন, তীব্র রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক শোষণ এবং মানুষের মৌলিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের মতো ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে।
নয়াদিল্লির তরফে অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের অবৈধভাবে দখল করে রাখা এই সমস্ত এলাকাগুলিতে ভূরাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় কোনও পরিবর্তন আনার যে কোনও প্রচেষ্টাকেই ভারত তীব্র বিরোধিতা করে। পাকিস্তানের এই ধরনের একতরফা নির্বাচনের আয়োজন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পি হরিশ বলেন, “পাকিস্তান নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে রাষ্ট্রসংঘের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চের অপব্যবহার করছে। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হওয়া একটি বড় দায়িত্ব। এটি পক্ষপাতদুষ্ট ও মিথ্যা বয়ান ছড়ানোর কোনও মঞ্চে নয়।” তিনি আরও বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর সম্পর্কিত সমস্ত প্রসঙ্গ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভবিষ্যতেও তা থাকবে। পাকিস্তানের ভিত্তিহীন, ঐতিহাসিক তথ্যবর্জিত, অন্তঃসারশূন্য দাবি এই মৌলিক সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না।”
উল্লেখ্য, অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালতিস্তানে ভোটের আয়োজন করেছে পাক সরকার। ৭ জুন অর্থাৎ রবিবার সেখানে নির্বাচন হওয়ার কথা। কোনওভাবে নির্বাচনের ফল যাতে বিরুদ্ধে না যায়, তার জন্য সেখানকার সমস্ত বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। নির্বাচন থেকে সরানো হয়েছে তাঁদের।