হট টপিক
পানাগড় শিল্পতালুকে কাজের দাবিতে বিক্ষোভ
প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শুক্রবার পানাগড় শিল্পতালুকে একটি পাইপ কারখানায় স্থানীয়দের কাজের দাবি ও তৃণমূল আমলে কাটমানি খাওয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেল। অভিযোগ, কাঁকসা এলাকার কয়েকজন তৃণমূল নেতা স্থানীয়দের বঞ্চিত করে টাকার বিনিময়ে বহিরাগতদের নিয়োগ করে এসেছেন। ফলে স্থানীয় যুবকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, আমরা এই দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছিলাম শিল্পতালুকে কাটমানির খেলা চলে। রাজ্যে পালাবদলের পর স্থানীয়রা এখন সরাসরি কারখানায় গিয়ে সেই অভিযোগ করছেন। মানুষের ক্ষোভ প্রমান করছে আমাদের দাবি ঠিক ছিল। অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি চাই।
এদিন বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূলের ইউনিয়নের নেতাদের ধরে কাজ হয়েছে। কাটমানি না দিলে কাজ পাওয়া যেত না। এদিন কারখানার এক আধিকারিকরা বেরিয়ে এসে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানেও বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিক্ষুব্ধ জয়দেব পাঁজা বলেন, এই কারখানা তৈরির সময় এলাকার মানুষ জমি দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেখা গিয়েছে এখানে জমিদাতারা চাকরি পায়নি। তৃণমূল কথা রাখেনি। স্থানীয় তৃণমূল গুন্ডাবাহিনী সিন্ডিকেট রাজ চালাত। এলাকার কেউ চাকরির জন্য এলে কয়েকজন তৃণমূল নেতার নাম করে বলা হত ওদের থেকে সই করে আনতে হবে। এভাবেই কাটমানির খেলা চলত। বিক্ষুব্ধরা বলেন, আমরা চাই সিন্ডিকেট রাজ যারা চালিয়েছে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। জমিদাতা, দিনমজুর, এলাকার বেকার যুবকরা চাকরি পাক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু এই কারখানায় নয়, শিল্পতালুকে থাকা অধিকাংশ কারখানাতেই তৃণমূলের নেতাদের মদতেই চলত শ্রমিক নেওয়ার কাজ। কংগ্রেস নেতা পূরব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শিল্পতালুকের এই অবস্থা নিয়ে আমরা সরব হয়েছি। প্রশাসনকে ডেপুটেশনও জমা দিয়েছিলাম। তারপরেও তৃণমূল আমলে পরিস্থিতি বদলায়নি।
এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কাঁকসা থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তবে পরিস্থিতি না বদলালে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা।

