বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

সোনারপুরে নজিরবিহীন ক্ষোভের মুখে অভিষেক, ছোড়া হল ডিম, জুতো

প্রকাশিত: ৩০ মে, ২০২৬
সোনারপুরে নজিরবিহীন ক্ষোভের মুখে অভিষেক, ছোড়া হল ডিম, জুতো
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে আক্রান্ত এক দলীয় কর্মীকে দেখতে যাওয়ার পথে নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কামালগাজি ও সোনারপুর এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে কালো পতাকা দেখানো, ডিম ছোড়া এবং ‘চোর’ স্লোগান দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বিক্ষোভরোধের মুখে পড়ে তাঁর জামা ছিঁড়ে যায় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই গোটা ঘটনার একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে তীব্র ভাইরাল।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার বিকেলে। সোনারপুরে দলের এক আক্রান্ত কর্মীর বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু তিনি কামালগাজির কাছাকাছি পৌঁছাতেই স্থানীয় মহিলারা তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কালো পতাকা দেখাতে শুরু করেন। গাড়ি যত সোনারপুরের ভেতরের দিকে এগোতে থাকে, বিক্ষোভের তীব্রতা তত বাড়ে। একদল বিক্ষোভকারী তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে আচমকাই ডিম ছুড়তে শুরু করে। বিক্ষুব্ধ জনতার ছোঁড়া ডিমের তরল এসে লাগে অভিষেকের পোশাকে। একই সঙ্গে চারপাশ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান উঠতে থাকে।গাড়ির ওপর এই অতর্কিত হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়ি থেকে নেমে পড়েন। যানজট ও ভিড় এড়াতে তিনি এক দলীয় কর্মীর মোটরসাইকেলের পেছনে চেপে গন্তব্যের দিকে রওনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সেখানেও বিক্ষোভকারীরা তাঁর পিছু ছাড়ে না। মাথায় হেলমেট থাকলেও বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া ডিম সরাসরি এসে লাগে তাঁর হেলমেটের ওপর।
 প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মোটরবাইকে যাওয়ার সময়ও তাঁকে ঘিরে ধরে প্রবল টানাটানি শুরু হয়। সেই ধস্তাধস্তিতে তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতার গায়ের জামা ছিঁড়ে যায় এবং তাঁকে মারধর করা হয় বলেও গুরুতর অভিযোগ ওঠে।
পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীরা কোনোমতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিষেককে উদ্ধার করে। তবে এত বড় বাধা ও নজিরবিহীন হামলার মুখে পড়েও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কর্মসূচি বাতিল করেননি। ছেঁড়া জামা ও চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি শেষ পর্যন্ত ওই আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছান এবং তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেন। এই ঘটনার পর এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শাসক দলের নেতার ওপর এমন নজিরবিহীন হামলায় রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
তবে সেই বাড়িতে বসেই অভিষেক জানান, এই হল ডবল ইঞ্জিনের নমুূনা। সবাই চেয়েছিল, ডবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার মৃতদেহ এখান থেকে বেরবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি।কিন্তু এই পরিবারের উপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এঁদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে  আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

আরও খবর