বিদেশ
দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ নেপাল, কার্ফু
প্রকাশিত: ৪ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: দুই গোষ্ঠীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ফের নতুন করে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল। গত বছরের সেপ্টেম্বরের স্মৃতি উসকে এবারও আন্দোলনের প্রথম সারিতে দেখা যাচ্ছে সে দেশের ‘জেন জি’ বা নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেপালের একাধিক জেলা ও সংবেদনশীল এলাকায় ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য সান্ধ্য আইন বা কার্ফু জারি করেছে প্রশাসন। দেশের এই উত্তাল পরিস্থিতিতে নাগরিকদের শান্ত থাকার এবং আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়ার জন্য কড়া বার্তা দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ।
নেপালের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েই চলেছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই চরম অস্থিরতার জেরে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে, বিশেষত বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে জারি করা হয়েছে ‘হাই অ্যালার্ট’। উত্তরবঙ্গের নেপাল সীমান্তে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (SSB) এবং পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোনও রকম অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে এবং অনুপ্রবেশ রুখতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত পারাপার করতে দেওয়া হচ্ছে না। শিলিগুড়ি এবং পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত বাহিনী।
নেপালের এই অভ্যন্তরীণ গোলযোগের নেপথ্যে দুই ভিন্ন মতাদর্শের গোষ্ঠীর সংঘাত কাজ করছে বলে প্রাথমিক অনুমিত। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসেও এমনই এক ‘জেন জি’ আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল নেপালের রাজনীতি। সেই আন্দোলনের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের নতুন করে শুরু হওয়া এই হিংসা নেপাল সরকারের কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া করেছে। পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও।

