জেলা
কাটোয়া শাখায় মেগা রেল মডিউল তৈরির দাবি
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: আমোদপুর-কাটোয়া রেল শাখা পরিদর্শনের সময় যাত্রী দুর্ভোগ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের একগুচ্ছ দাবিতে বিক্ষোভের মুখে পড়ল পূর্ব রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। শুক্রবার পূর্ব রেলের হাওড়ার অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (অপারেশন) বা এডিআরএম সচিন সুমনের হাতে একটি দীর্ঘ স্মারকলিপি তুলে দিলেন লাভপুর নাগরিক উন্নয়ন সমিতি এবং আমোদপুর-কাটোয়া রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যেরা। এ দিন আমোদপুর স্টেশনে এডিআরএম এসে পৌঁছলে তাঁর মাধ্যমে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের উদ্দেশে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়।
স্মারকলিপিতে রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মূলত দুটি নতুন ট্রেন চালুর দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমটি হলো, আমোদপুর-কাটোয়া হয়ে রামপুরহাট থেকে হাওড়াগামী ‘মা ফুল্লরা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার’ বা এক্সপ্রেস এবং দ্বিতীয়টি দেওঘর থেকে শিয়ালদহগামী ‘শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এক্সপ্রেস’। এর পাশাপাশি আমোদপুর স্টেশনের মূল প্ল্যাটফর্মের (১, ২, ৩) সঙ্গে ৪ ও ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের প্রায় ৭০০ মিটারের বিশাল দূরত্বের কারণে নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগের কথা তুলে ধরা হয়। এই সমস্যা মেটাতে প্ল্যাটফর্ম সংযুক্তিকরণ অথবা ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঠিক পাশেই একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির আবেদন জানানো হয়েছে।
অন্য দিকে, লাভপুর নাগরিক উন্নয়ন সমিতির দাবি আরও সুদূরপ্রসারী। লাভপুরে রেলের যে বিশাল ফাঁকা জমি রয়েছে, সেখানে ইএমইউ (EMU) বা মেমু (MEMU) কোচ মেনটেন্যান্স ইয়ার্ড, ইলেকট্রিক লোকো শেড অথবা রেল কোচ ফ্যাক্টরি গড়ার দাবি জানিয়েছে তারা। সমিতির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যদি রেলের পরিকাঠামো তৈরি সম্ভব না হয়, তবে বিকল্প হিসেবে ওই জায়গায় এমসের (AIIMS) ধাঁচে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল বা একটি আধুনিক রেল মিউজিয়াম তৈরি করা হোক। প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সুবীর সেন ও জয়ন্ত মণ্ডল বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরে এই ন্যায্য দাবি নিয়ে আমরা লড়াই চালাচ্ছি। রেল কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই দাবি পূরণ করুক।’’

