বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

মহিষাদলে নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট, ২০২৬
মহিষাদলে নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: সৈকতের জেলা হিসেবে পূর্ব মেদিনীপুরে বছরভর পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। দিঘা, মন্দারমণি বা তাজপুরের মতো সমুদ্র উপকূল ছাড়াও এই জেলায় ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান। এবার জেলার সেই পর্যটন মানচিত্রে নতুন পালক জুড়তে কোমর বেঁধে নামলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। মহিষাদল ব্লকের ঐতিহ্যবাহী হরিখালী গ্রাম এবং তেরাপেখিয়ার শতবর্ষ প্রাচীন সেচ বাংলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিলেন মহিষাদলের বিধায়ক। পর্যটকদের থাকার জন্য সেখানে আধুনিক ‘হোম স্টে’ বানানোর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।

এই মাস্টারপ্ল্যানকে বাস্তবায়িত করতে ইতিমধ্যেই ওই এলাকাগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বিধায়ক। পাশাপাশি, এই প্রকল্পের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তিনি রাজ্য পর্যটন দফতর, নগর উন্নয়ন দফতর এবং হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের (HDA) সঙ্গেও যোগাযোগ শুরু করেছেন। প্রশাসনের সবুজ সংকেত মিললেই দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।
হরিখালী গ্রামের মূল আকর্ষণ হলো সেখানকার শতাব্দী প্রাচীন জমিদার বাড়ি, ঐতিহাসিক লোহার খুঁটি, সুবিশাল নাট মন্দির এবং প্রখ্যাত যাত্রা গবেষক প্রয়াত প্রভাতকুমার দাসের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। মূলত এই কৃতি গবেষকের লেখনীর মাধ্যমেই হরিখালীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতি দেশবাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জমিদার বাড়ির ভেতরের প্রাচীন নাট মন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। এর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
স্থানীয় লোকসংস্কৃতি গবেষক সঙ্কর্ষণ মাইতির কথায়, ‘‘প্রভাতকুমার দাস ছিলেন যাত্রা গবেষণার একজন দিকপাল। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টাতেই হরিখালী আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি পেয়েছিল। দেশ-বিদেশ থেকে বহু মানুষ এখানে গবেষণার কাজে আসেন। এমনকি একাধিক সিনেমার শুটিংও হয়েছে এই গ্রামে।’’ এই ঐতিহাসিক অঞ্চলকে সরকারিভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হলে, এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনই হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন লোকসংস্কৃতিও নতুন করে অক্সিজেন পাবে বলে আশাবাদী আপামর জেলাবাসী।