বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

রামপুরহাটে পূর্ব রেলের জিএম-এর হাতে স্মারকলিপি, 'মা ফুল্লরা' ট্রেন চালুর দাবিতে সরব যাত্রীরা

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৬
রামপুরহাটে পূর্ব রেলের জিএম-এর হাতে স্মারকলিপি, 'মা ফুল্লরা' ট্রেন চালুর দাবিতে সরব যাত্রীরা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি রামপুরহাট: রামপুরহাট থেকে কলকাতার সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগের দীর্ঘদিনের দাবি ফের জোরালোভাবে সামনে এল। বৃহস্পতিবার পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) রামপুরহাট রেলস্টেশনে 'অমৃত ভারত' প্রকল্পের অধীনে চলমান উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে এলে সেই সুযোগে তাঁর হাতে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি তুলে দেন 'আহমদপুর–কাটোয়া রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন'-এর সদস্যরা।

এদিন জিএম-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া ডিভিশনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পূর্ব রেলের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। স্টেশনের আধুনিকীকরণ, যাত্রী পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং 'অমৃত ভারত' প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের দাবিদাওয়াও শোনেন তাঁরা।
স্মারকলিপিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে রামপুরহাট থেকে আহমদপুর–কাটোয়া হয়ে হাওড়া পর্যন্ত "মা ফুল্লরা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার" ট্রেন চালুর প্রস্তাব জানানো হয়। সংগঠনের সদস্যদের বক্তব্য, এই রুটে পর্যাপ্ত রেল পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কলকাতার সঙ্গে সরাসরি ট্রেন পরিষেবা চালু হয়নি। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী, চাকরিজীবী, ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী এবং চিকিৎসার জন্য কলকাতাগামী রোগীদের একাধিকবার ট্রেন বদল করতে হয়। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনি অতিরিক্ত অর্থব্যয় ও ভোগান্তিরও শিকার হতে হয়।
যাত্রী সংগঠনের দাবি, আহমদপুর–কাটোয়া রুট দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ হলেও পর্যাপ্ত দূরপাল্লার বা সরাসরি ট্রেন পরিষেবার অভাবে এই অঞ্চলের মানুষ বঞ্চিত। "মা ফুল্লরা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার" চালু হলে রামপুরহাট, আহমদপুর, কাটোয়া-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা সরাসরি হাওড়া পৌঁছানোর সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং পর্যটনের ক্ষেত্রেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংগঠনের দাবি।
স্মারকলিপি গ্রহণের পর পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলেন। তিনি তাঁদের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় দপ্তরে পাঠিয়ে দ্রুত সম্ভাব্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে সংগঠনের সদস্যরা জানান।
জিএম-এর ইতিবাচক মনোভাব ও আশ্বাসে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন এলাকার যাত্রীরা। তাঁদের আশা, বহু বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে খুব শীঘ্রই রামপুরহাট থেকে আহমদপুর–কাটোয়া হয়ে হাওড়াগামী "মা ফুল্লরা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার" ট্রেন চালুর ঘোষণা হতে পারে।
এদিন জিএম-এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন যাত্রী সংগঠনের সদস্য গোপাল দাস, সুবীর সেন-সহ অন্যান্য সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, এই দাবি কোনও একদিনের নয়; দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের স্বার্থে তাঁরা আন্দোলন ও আবেদন জানিয়ে আসছেন। রেল কর্তৃপক্ষ এবার যাত্রীদের বাস্তব সমস্যার কথা বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে বলেই তাঁদের প্রত্যাশা।