সর্বশেষ খবর
মার খেয়েও জেদে অনড় প্রাক্তন তৃণমূল নেতা, প্রেমিকাকে নিয়ে ফের পালাতে গিয়ে ধৃত
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বালুরঘাট: গণধোলাই খাওয়ার পরেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় রইলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের তফশিলি জাতি (এসসি) মোর্চার প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল সভাপতি। আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলার সূত্রে আলাপ হওয়া এক গৃহবধূকে নিয়ে ফের চম্পট দিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন ওই দাপুটে নেতা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বালুরঘাটের মঙ্গলপুর আদিবাসীপাড়া এলাকায় নতুন করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ক্ষিপ্ত জনতা এবং ওই মহিলার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে ওই নেতাকে ফের একপ্রস্থ মার খেতে হয়েছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে বালুরঘাট থেকে হঠাৎই উধাও হয়ে যান ওই তৃণমূল নেতা এবং ওই গৃহবধূ। দুই পরিবারের পক্ষ থেকেই বালুরঘাট থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল। দিন দুই আগে দু'জনকে একসঙ্গে দেখতে পেয়ে জোর করে নিজের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন মহিলার বাপের বাড়ির লোকজন। এরপর ওই মহিলা তাঁর প্রেমিক তথা তৃণমূল নেতাকে নিয়ে সোজা উঠেছিলেন তাঁর স্বামীর বাড়িতে। কাজের সূত্রে মহিলার স্বামী বাইরে গেলেও শনিবার রাতে আচমকা বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ওই নেতার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এর পরেই শ্বশুরবাড়ি ও বাপের বাড়ির লোকজন মিলে ওই নেতাকে ধরে বেধড়ক মারধর করে।
খবর পেয়ে বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দু’জনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ থেকে শুরু করে সমস্ত বিষয়ে সাহায্য করতেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই সূত্রেই তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। মার খাওয়ার পরেও ওই নেতা নিজের জেদে অনড় থেকে ওই মহিলার সঙ্গেই থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই ত্রিকোণ প্রেমের টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক নেতার জড়িয়ে থাকার ঘটনায় শহরজুড়ে তুমুল গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

