বিনোদন
নিরামিষেই বাজিমাত শাহিদের, ফিদা ভক্তেরা
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হালফিলে মুক্তি পাওয়া ‘ককটেল ২’ ছবিতে শাহিদ কপূরের গ্রীক দেবতার মতো চাবুক চেহারা দেখে ঘুম উড়েছে মহিলা ভক্তদের। পদাঘাত করেছেন বয়সের অঙ্কেও। রূপালী পর্দায় তাঁর পেশিবহুল এবং মেদহীন চেহারার চকমকি দেখে পুরুষ অনুরাগীরাও কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন। কোন মন্ত্রে এমন খোলসবদল করলেন অভিনেতা? শেষমেশ সেই রহস্যের পর্দা ফাঁস করেছেন শাহিদের পুষ্টিবিদ নিকোল কেডিয়া। তিনি জানিয়েছেন, অভিনেতার এই ঈর্ষণীয় রূপান্তরের নেপথ্যে কোনও জাদুটোনা নেই, রয়েছে একশো শতাংশ খাঁটি নিরামিষ ডায়েট!
মাছ, মাংস, এমনকী ডিম— প্রোটিনের এই চেনা উৎসগুলির ধারেকাছেও যাননি অভিনেতা। প্রায় এক দশক ধরে সম্পূর্ণ নিরামিষাশী জীবনযাপন করছেন তিনি। কিন্তু আচমকা এই আমিষ ত্যাগ কেন? জানা গিয়েছে, বাবা পঙ্কজ কপূরের উপহার দেওয়া একটি বিশেষ বই পড়ার পরেই আমিষ খাওয়া চিরতরে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন শাহিদ। তবে আমিষ না ছুঁয়েও যে এমন চমৎকার সুগঠিত, গ্রীক ভাস্কর্যের মতো শরীর তৈরি করা সম্ভব, তা আরও একবার হাতেনাতে প্রমাণ করে দিলেন এই বলিউড তারকা।
পুষ্টিবিদ নিকোল কেলিয়া জানিয়েছেন, চিয়া বীজ ভেজানো জল দিয়ে দিন শুরু করেন শাহিদ। প্রাতরাশে পছন্দ করেন দক্ষিণ ভারতীয় খাবার। সবজি দিয়ে তৈরি উত্তপম, সম্বর আর নারকেলের চাটনি তাঁর ভীষণ প্রিয়। দুপুরে থাকে হরেক রকমের আনাজের তরকারি, ডাল, মিলেট বা ভাত এবং পনির। রাতে একদম হালকা খাবার পছন্দ করেন অভিনেতা। মূলত স্যুপ, প্রোটিনসমৃদ্ধ র্যা প অথবা স্যতে করা সবজি খেয়েই রাতের আহার সারেন তিনি।
নিকোলের মতে, শাহিদের ফিটনেস মন্ত্র হল প্রতি বেলার খাবারে পর্যাপ্ত উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের ভারসাম্য বজায় রাখা। ডালের পরিমাণ বেশি থাকা খিচুড়ি বা ছোলার বিরিয়ানিই অভিনেতার পেশির গঠন মজবুত রাখতে সাহায্য করেছে। আর তাতেই বাজিমাত করেছেন অভিনেতা।

