বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

মমতা ‘জেগে ঘুমোচ্ছেন’, ভরাডুবির দায়ে বিস্ফোরক বীরভূমের কেষ্ট

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬
মমতা ‘জেগে ঘুমোচ্ছেন’, ভরাডুবির দায়ে বিস্ফোরক বীরভূমের কেষ্ট
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, বোলপুর: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লিখিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁজ বজায় রাখলেন অনুব্রত মণ্ডল। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য আরও একবার সরাসরি দলনেত্রীকেই কাঠগড়ায় তুললেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে চাঁছাছোলা ভাষায় তোপ দাগলেন বীরভূমের ‘কেষ্ট’। তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট যে, দলের এই বিপর্যয়ের পর মমতার ওপর তাঁর জমে থাকা ক্ষোভ কিছুতেই প্রশমিত হচ্ছে না।

বোলপুরের নিচুপট্টির নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অনুব্রত মণ্ডল। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদাসীনতাকে বিঁধে তিনি সরাসরি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি জেগে ঘুমোন, তাহলে আর কীভাবে সাড়া পাওয়া যাবে?" দলের এই শোচনীয় পতনের জন্য যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একগুঁয়েমি এবং সিদ্ধান্তই দায়ী, তা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছেন বীরভূমের এই দাপুটে নেতা।
নেত্রীর প্রতি ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক প্রকার রাজনৈতিক পরামর্শও দিয়েছেন কেষ্ট। তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সত্যিই বুদ্ধিমতী হন, তাহলে এবার অন্তত সবাইকে নিয়ে চলবেন।" সামনেই একুশে জুলাইয়ের মহাসমাবেশ। সেই প্রসঙ্গে অনুব্রত যোগ করেন, "২১ জুলাইয়ের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলে ভালো করবেন। তাঁকে আসতে কেউ বারণ করবে না।" পুরোনো দিনের লড়াইয়ের স্মৃতি মনে করিয়ে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, "সকলে মিলে অনেক কষ্ট করে এই দলটা তৈরি করেছিলাম। অনেক লড়াই করে সিপিএমকে তাড়িয়েছিলাম।"
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। দলবদলের পর বীরভূমের জেলা সভাপতির পদ ফিরে পেতেই একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলে নিশানা শানাতে শুরু করেছেন তিনি। কেষ্টর এই "জেগে ঘুমানো"র কটাক্ষ যে শাসক দলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি ও বিতর্ক বাড়াল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।