বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

ডাচদের মুখের গ্রাস কাড়ল ‘সামুরাই’রা! 

প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬
ডাচদের মুখের গ্রাস কাড়ল ‘সামুরাই’রা! 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে এশীয় ফুটবলের জয়জয়কার। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্দান্ত জয় কিংবা কাতারের লড়াকু ড্রয়ের পর এবার বিশ্বমঞ্চে গর্জে উঠল এশিয়ার আরেক মহাশক্তি জাপান। গ্রুপ পর্বের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফুটবল পরাশক্তি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে দু-দুবার পিছিয়ে পড়েও যেভাবে ২-২ গোলে ম্যাচ ড্র করল ব্লু সামুরাইরা, তা এককথায় রূপকথা। যখন মাঠের গ্যালারি থেকে শুরু করে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা ধরেই নিয়েছিলেন ডাচদের হারানো জাপানের পক্ষে অসম্ভব, ঠিক তখনই ম্যাচের অন্তিম লগ্নে মরণকামড় দিল সামুরাইরা। ৮৯ মিনিটে দাইচি কামাদার সেই জাদুকরি গোল এক লহমায় ওলন্দাজ শিবিরের সমস্ত পরিশ্রম এবং জয়ের স্বপ্নকে ব্যর্থ করে দিল। ডাচদের মুখ থেকে নিশ্চিত ৩ পয়েন্ট কেড়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ল সূর্যোদয়ের দেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ছন্দে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে নেদারল্যান্ডস। প্রথমার্ধেই জাপানি ডিফেন্সের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিয়ে ডাচদের এগিয়ে দেন কোডি গ্যাকপো। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও খেই হারিয়ে ফেলেনি জাপান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এক দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরে তারা। তবে ডাচদের আক্রমণের ঝাঁজ কমে যায়নি। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে মেমফিস ডিপাইয়ের পেনাল্টি থেকে করা গোলে দ্বিতীয়বার ২-১ ব্যবধানে লিড নেয় নেদারল্যান্ডস। ঘড়ির কাঁটা যত এগোচ্ছিল, ডাচ ডাগআউটে তখন জয়ের উৎসবের আবহ। কিন্তু সামুরাইদের ডিকশনারিতে যে ‘হার মানা’ শব্দটা নেই, তা তারা আরও একবার প্রমাণ করল।
ম্যাচের ঠিক ৮৯ মিনিটে ডাচ বক্সের ভেতর তৈরি হওয়া এক জটলা থেকে নেদারল্যান্ডস ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন কামাদা। ২-২ গোল হতেই স্টেডিয়ামজুড়ে তখন এশীয় সমর্থকদের গগনবিদারী চিৎকার। ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান মাথায় হাত দিয়ে সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে রইলেন। এই ড্রয়ের পর ফুটবল বিশ্ব স্পষ্ট বুঝে গেল, ইউরোপের হেভিওয়েট দলগুলোর থেকে টেকনিক বা মানসিক শক্তিতে এশিয়ার দেশগুলো এখন কোনো অংশেই কম নয়। ডাচদের বিরুদ্ধে এই বীরত্বপূর্ণ পয়েন্ট কেড়ে নেওয়া জাপানের নক-আউট পর্বে যাওয়ার রাস্তা অনেকটাই মসৃণ করে দিল।