বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

পালাবদলের পরেও কাঁকসায় অবাধে চলছে বালি পাচার

প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬
পালাবদলের পরেও কাঁকসায় অবাধে চলছে বালি পাচার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে অবৈধ বালিঘাট নিয়ে সরব হয়েছিলেন। কিন্তু কাঁকসার খেড়োবাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকার নামলেই বালি পাচার হচ্ছে। দিনের আলোতেও পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছে পাচার। বিষয়টি নিয়ে বিএলআরও দপ্তর সহ বিভিন্ন আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। কাঁকসা বিএলআরও মঞ্জু কাঞ্জিলাল বলেন, ইতিমধ্যেই থানার সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। 

কাঁকসার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে অজয় নদ। অভিযোগ, এই নদকে কেন্দ্র করে বালির অবৈধ কারবার চলে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপুরে বলেছিলেন, বালিতে তো ভয়ঙ্কর। আমরা এটাই বলে দিয়েছি প্রয়োজন হলে বালির দাম বেঁধে দিন। এই কথার পরেই অভিযানে নামতে দেখা যায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে। একাধিক ঘাটে যান আধিকারিকরা। কথা বলেন এলাকার মানুষের সঙ্গে। অভিযোগ, তারপরেও বালি চুরির ঘটনা থামেনি। এলাকার বাসিন্দা মামনি সরেন লিখিত অভিযোগ করে জানান, অজয় নদের উপর অবস্থিত বনকাটি পঞ্চায়েত এলাকার কোটাল পুকুর ঘাটে অবৈধ বালির কারবার চলছে। মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেদার বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে।  
স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে অজয় নদের একাধিক জায়গায় অবৈধ বালিঘাট গজিয়ে উঠেছিল। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন বালি পাচার হয়েছে। ডাম্পার বা লরি করে শুধু নয় বিভিন্ন জায়গায় বালি মজুদ করে রেখে ট্রাক্টারে করেও পাচার হতো। তৎকালীন শাসক দলের ‘দাদা’ দের হাত ছিল বালি কারবারিদের মাথায়। তাই এই কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। প্রশাসনের বিধি নিষেধকে তোয়াক্কা না করেই চলেছে কারবার। আসলে সমস্যায় পড়লে‘দাদা’ রা ঠিক ‘ম্যানেজ’ করে দিত। কিন্তু অভিযোগ, পালাবদলের পরেও সন্ধ্যার পর ট্রাক্টরে করে বালি পাচারের ধারা একই রয়েছে। তাতে গ্রামীন পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, আমাদের সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। অবৈধ কারবার চললে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিক।