বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

পঞ্চাশ বছরে পা, বইমেলা ঘিরে বিশেষ উপদেষ্টা কমিটি গড়ল নবান্ন

প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২৬
পঞ্চাশ বছরে পা, বইমেলা ঘিরে বিশেষ উপদেষ্টা কমিটি গড়ল নবান্ন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের একটি যদি হয় দুর্গাপুজো, তবে অন্যটি নিঃসন্দেহে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। আর আগামী বছরের বইমেলা কলকাতার পাঠকদের কাছে একটু বেশিই স্পেশাল। কারণ, ২০২৭ সালে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কের বইমেলা ছুঁতে চলেছে পঞ্চাশ বছরের মাইলফলক। সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষের এই আবেগকে মাথায় রেখে এবং মেলা যাতে সুচারুভাবে পরিচালিত হয়, তার জন্য এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নামল রাজ্য সরকার। মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে নবান্নে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মঙ্গলবার নবান্নের তরফে একটি সরকারি কার্যবিবরণী তথা ‘মিনিটস’ প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে, মেলার আয়োজনে মূল দায়িত্বে গিল্ড থাকলেও এবার তাদের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে এক ঝাঁক নতুন প্রতিনিধি।

নবান্ন সূত্রের খবর, প্রথা মেনেই ‘পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড’-ই বইমেলা আয়োজনের মূল দায়িত্বে থাকছে। তবে পঞ্চাশ বছরের এই মেলাকে আরও জমকালো ও নিখুঁত করতে এবার গিল্ডের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে ‘ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট’ (NBT) এবং ‘ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টার’ (EZCC)-কে। এখানেই শেষ নয়, মেলার সার্বিক পরিচালনার ওপর নজরদারি ও পরামর্শ দিতে নবান্ন একটি শক্তিশালী ‘উপদেষ্টা কমিটি’ বা অ্যাডভাইজারি বোর্ড গঠন করেছে। ২৪ সদস্যের এই বিশেষ কমিটিতে স্থান পেয়েছেন রামকৃষ্ণ মিশন এবং ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এই বোর্ডই মেলা সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গিল্ডকে ‘পরামর্শ ও উপদেশ’ দেবে।

প্রশাসনিক মহলের মতে, প্রতি বছর বইমেলায় যে বিপুল ভিড় হয়, সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে তা আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি প্রকাশনা সংস্থা এবং ভিন রাজ্যের পাঠকদের ভিড় সামলানো জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। নবান্নের বৈঠকে মেলার পরিকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ৫০ বছরের ইতিহাসকে উদযাপিত করতে মেলা প্রাঙ্গণে বিশেষ কিছু প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপরেখাও তৈরি করছে নতুন এই উপদেষ্টা কমিটি। সব মিলিয়ে, আগামী বছরের বইমেলা যে আক্ষরিক অর্থেই এক নতুন ইতিহাস তৈরি করতে চলেছে, নবান্নের এই তৎপরতা তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।