বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

শরণার্থী শিবির থেকে ফিফা বিশ্বকাপ, তিন ‘যুদ্ধজয়ী’র রূপকথা অজি ফুটবলে

প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬
শরণার্থী শিবির থেকে ফিফা বিশ্বকাপ, তিন ‘যুদ্ধজয়ী’র রূপকথা অজি ফুটবলে
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শুধু বুটের জাদু আর গ্যালারির গর্জন নয়। চলতি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিংরুম জুড়ে এখন এক অদ্ভুত মায়া। সেখানে কান পাতলেই শোনা যায় ভিটেমাটি হারানোর যন্ত্রণা, শরণার্থী শিবিরের কান্না আর ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো বেঁচে ফেরার রূপকথা। আফ্রিকার বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া তিন তরুণ— নেস্টরি ইরানকুন্ডা, মহম্মদ তুরে এবং আওয়ার মাবিল— এখন ক্যাঙ্গারুর দেশের প্রধান অস্ত্র। তুরস্কের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই সেই রূপকথায় রূপোলি রেখা টানলেন কুড়ির তরুণ ইরানকুন্ডা। তাঁর ম্যাজিকেই তুরস্ককে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কাপযুদ্ধ শুরু করল সকারুজরা।

বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়ার আগে থেকেই এই তিন ফুটবলারকে নিয়ে আবেগঘন ছিল ফুটবল দুনিয়া। তানজানিয়ার শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া ইরানকুন্ডা আজ অজি মাঝমাঠের চালিকাশক্তি। গিনির শিবিরে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে শৈশব কাটানো মহম্মদ তুরে আজ বিপক্ষ ডিফেন্সের ত্রাস। আর কেনিয়ার কাকুমা ক্যাম্প থেকে উঠে আসা আওয়ার মাবিল এই দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ভরসা। ভ্যাঙ্কুবারের মাঠে তুরস্কের বিরুদ্ধে যখন দল নামল, তখন এঁদের পায়ে শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল কোটি কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষের স্বপ্ন।
ম্যাচের ২৬ মিনিটেই সেই স্বপ্নের সলতে পাকালেন ইরানকুন্ডা। ডানপ্রান্ত থেকে গতি আর ড্রিবলিংয়ের এক অবিশ্বাস্য প্রদর্শনীতে তুরস্কের ডিফেন্সকে কার্যত ফালাফালা করে বল জড়ালেন জালে। দেশের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজির গড়লেন এই ফরোয়ার্ড। পরে কোনর মেটকাফের দূরপাল্লার শটে ২-০ করে জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচ শেষে স্কোরলাইনের চেয়েও বেশি চর্চায় তিন শরণার্থীর বিশ্বজয়। একসময় যাঁদের মাথার ওপর ছাদ ছিল না, আজ বিশ্বমঞ্চে তাঁদের কাঁধেই স্বপ্ন দেখছে গোটা অস্ট্রেলিয়া।