বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

সাধুসঙ্গের ইচ্ছা কীভাবে

প্রকাশিত: ৯ জুন, ২০২৬
সাধুসঙ্গের ইচ্ছা কীভাবে
সন্দীপ সিনহাসন্দীপ সিনহা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

অহৈতুকী নিষ্কাম ভক্তিই প্রেম। সাধকের অন্য কোন কাম্য না থাকলে ভগবানই একমাত্র কাম্যবস্তু হয়ে পড়েন।তাঁর কামনা বাসনা যখন একমাত্র ভগবানেই অর্পিত হয় তখনই সেটি প্রেম পদবাচ্য হয়। কোন কোন ব্যক্তি পূর্বজন্মের সুকৃতি বলে প্রেম সম্পদ নিয়েই জন্মগ্রহণ করেন। এরূপ ভাগ্যবান অতি বিরল। সাধারণত নানা প্রকার সাধনা দ্বারাই পরাভক্তি বা প্রেম লাভ করা যায়। ভগবৎ কথায় শ্রদ্ধার ভাব উদিত হলে শ্রবণ মনন কীর্তন প্রভৃতি সাধনা দ্বারা চিত্ত ক্রমে যতই নির্মল হতে থাকে ততই কামনা কলুষ বিদূরিত হয় এবং ঈশ্বরে অনুরক্তি বৃদ্ধি পায়। প্রথমেই চাই শ্রদ্ধা—শাস্ত্রবাক্যে দৃঢ় বিশ্বাস। হৃদয়ে শ্রদ্ধার উদয় হলে সাধু সঙ্গের ইচ্ছা হয়। সাধু ভক্তদের প্রভাবে শ্রবণ কীর্তন ও ভজনে প্রবৃত্তি হয়। ঐকান্তিকতার সঙ্গে সাধনভজন করতে করতে অনর্থ নিবৃত্তি হয়। অর্থাৎ সর্বপ্রকার দূর্বাসনা দূরীভূত হয়ে চিত্ত নির্মল হয়। চিত্ত নির্মল হলে নিষ্ঠা জন্মায় অর্থাৎ ভগবৎ চরণে চিত্ত একাগ্ৰ হয়। শ্রী ভগবানে চিত্ত একনিষ্ঠ হলে তাঁর মাধুর্য বিশেষভাবে উপলব্ধ হতে থাকে এবং তাঁর নাম-গুণ শ্রবণ কীর্তনে রুচি হয়। রুচি থেকেই ভগবানে আসক্তি জন্মায়। আসক্তি গাঢ় হলে ভাব বা প্রীত্যঙ্কুর জন্মায়। এই ভাব গাঢ় হয়ে প্রেমে রূপান্তরিত হয়। এইভাবেই প্রেমোদয় হয়। সুতরাং আমরা প্রেমের যে অর্থ বুঝি তার সঙ্গে কামনা বাসনা জর্জরিত। শাস্ত্রমতে প্রেম হলো পবিত্র ভাব। চিত্তে এইভাবের উদ্ভব হলেই মানুষ দেবতা হয়। জয় জগন্নাথ স্বামী নয়ন পথগামী ভবতু মে।