বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

মমতার বাড়িতে অনুপস্থিত ৬০ বিধায়ক, বাতিল বৈঠক

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬
মমতার বাড়িতে অনুপস্থিত ৬০ বিধায়ক, বাতিল বৈঠক
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: নতুন বিধানসভা গঠিত হওয়ার পর বৈঠক বিপর্যয়। রবিবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে আয়োজিত তৃণমূল পরিষদীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি বাতিল করতে হলো। বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন মাত্র ২০ জন বিধায়ক। ফলে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সদস্য সংখ্যা বা ‘কোরাম’ না হওয়ায় বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা তথা বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং এই বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন।

নতুন বিধানসভায় বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৮০ জন। পরিষদীয় দলের কাজের গতি বাড়াতে এবং নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সমন্বয় আরও মজবুত করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকের গুরুত্ব বজায় রাখতেই তা দলের সর্বোচ্চ নেত্রীর বাসভবনে আয়োজন করা হয়। এমনকি পরিষদীয় নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু রবিবারের এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকে ৮০ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন বিধায়ক উপস্থিত হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ৬০ জন বিধায়কের এই অনুপস্থিতি দলের অন্দরের সমন্বয় নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
যদিও এই বৈঠক বাতিল হওয়া এবং বিধায়কদের গরহাজির থাকার বিষয়টি নিয়ে সাফাই দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বৈঠক বাতিলের প্রসঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, শনিবার সোনারপুরে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। দলের বিধায়কেরা নিজ নিজ এলাকায় বিভিন্ন প্রতিবাদী কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উপর বিরোধী দলের হামলা হচ্ছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ অনেককে গ্রেফতার করছে। এমতাবস্থায়, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকেই বহু বিধায়ক ফোন করে অনুরোধ করেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈঠকের দিনটি যদি একটু বদলে দেওয়া হয়, তবে খুব ভাল হয়।
দলীয় সূত্রের দাবি, মূলত বিধায়কদের অনুরোধের কারণেই শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, শাসক দলের অন্দরে কোনো চোরাস্রোত বা অসন্তোষ চলছে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই ফিসফাস শুরু হয়েছে। কারণ খোদ নেত্রীর বাড়িতে ডাকা বৈঠকে মাত্র ২৫ শতাংশ বিধায়কের উপস্থিতি স্বাভাবিক ঘটনা নয়। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, এই ‘কোরাম’ সংকটের পর তৃণমূল পরিষদীয় দল আগামী দিনে কবে আবার নতুন করে এই বৈঠকের ডাক দেয়, এখন সেটাই দেখার।

আরও খবর