বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

কীভাবে পাকিস্তান থেকে বর্ধমানে এলো পাক জঙ্গী? অবাক হবেন জঙ্গীর গতিবিধিতে 

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬
কীভাবে পাকিস্তান থেকে বর্ধমানে এলো পাক জঙ্গী? অবাক হবেন জঙ্গীর গতিবিধিতে 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বর্ধমানের এক জনবহুল এলাকার অভিজাত আবাসনে গা ঢাকা দিয়ে চলছিল পাকিস্তানি জঙ্গি কার্যকলাপ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) অভিযান চালিয়ে এক পাকিস্তানি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম হামিদ মন্ডল। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত হামিদ মন্ডল বেশ কিছুদিন ধরে বর্ধমানের ওই জনবহুল এলাকার একটি নামী আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকছিল। বাইরে থেকে তাকে সাধারণ বাসিন্দা মনে হলেও, অন্দরে বসে সে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ছক কষছিল। তার ওপর দীর্ঘদিন ধরেই নজর রাখছিলেন গোয়েন্দারা। শুক্রবার নির্দিষ্ট খবর পেয়ে এসটিএফের একটি বিশেষ দল ওই আবাসনে হানা দেয়। চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে হামিদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঠমান্ডুতে বহুদিন থাকার পর এই জঙ্গি নেপাল হয়েই ভারতে প্রবেশ করে। এখানে এসেই ভারতীয় নথি অর্থাৎ আধার,ভোটার,তৈরি করে ফেলে হামিদ। প্রথমে হাওড়ার পিলখানায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছিল সে। সেখানেই জামা কাপড় তৈরি কাজ করত সে। পরে বাড়ি উচ্ছেদের কারণে ছেড়ে চলে যায় বর্ধমানে। এখানেই পরে নিজের ব্যবসা শুরু করে। আর এই ব্যবসার আড়ালেই চলত  জঙ্গি কার্যকলাপ।
এই জঙ্গির সঙ্গে পাক সেনা কর্তা ও আইএসআই আধিকারিকদের যোগযোগও মিলেছে। জঙ্গি নিয়োগ ও সংগঠন বাড়ানোর দায়িত্বে হামিদ পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীদের হয়ে কাজ করত। আরো জানা যায়, শেখ সাজ্জাদ গুল এর সংগঠনের মেম্বার এই হামিম। যিনি পেহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নিয়মিত নজর রাখতেন হামিদ । মোবাইলে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির লোকেশন ম্যাপও উদ্ধার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উপরও কোনো হামলার ছক কষেছিল কি না এই জঙ্গি তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।
ধৃতের কাছ থেকে বেশ কিছু আপত্তিকর নথি, মোবাইল ফোন এবং সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। সে কার কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল এবং এই রাজ্যে তার কোনও সহযোগী রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ধৃতকে জেরা করে এই চক্রের মূল শিকড়ে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন এসটিএফের আধিকারিকরা। জনবহুল আবাসনে এমন জঙ্গি লুকিয়ে থাকার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেছে।

আরও খবর