বাংলার গ্যাংস্টার
পর্ব - ৪
মার্কসবাদী নেতার ঘনিষ্ঠ থেকে 'মাছ' চোর হয়ে উঠলেন শওকত। ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন তাঁর সাম্রাজ্য।
সিপিআই(এম) নেতা তথা রেজ্জাক মোল্লার ঘনিষ্ঠ ছিলেন শওকত মোল্লা। ২০১০ সালে জীবনতলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাতে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। তারপরও ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন তৃণমূলের প্রাণভোমরা।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে কয়েকটি রাজনৈতিক গান তৈরি হয়েছে তার মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় হয় ‘মাছ চোর’ গানটি। সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল এই গান। আর যাকে নিয়ে এই গান তৈরি হয়েছে সেই শওকাত মোল্লা এখন এনআইএ-র জালে। তিনি গ্রেপ্তার হতেই রকেটের গতিতে তাঁর উত্থান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি মাছের ব্যবসা করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিকবার মাছ চুরির অভিযোগও উঠেছে। সিপিএমের রেজ্জাক মোল্লার হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ তাঁর। রাজ্যে সিপিএম সরকারের পতনের পর তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি। দু’বার তাঁর পর হামলার ঘটনাও ঘটে। কিন্তু দুবারই তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
মূলত ২০০৮ সালে সিপিএমের জোনাল কমিটির সদস্যপদ পান শওকত। ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিসেবেও নির্বাচিত হন তিনি। জানা গিয়েছে, রেজ্জাক মোল্লার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে যে কয়েকজন ঘোরাফেরা করতেন তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন শওকত মোল্লা। ২০১০ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনতলা এলাকায় রাজনৈতিক সভা করতে এলে তাঁর উপর হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় শওকত মোল্লা জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শওকত মোল্লা-সহ বেশ কয়েকজন সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে মামলাও হয়।

