বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

উত্তরবঙ্গের স্বাদ এবার জঙ্গলমহলে! বেলপাহাড়িতে চালু হচ্ছে জঙ্গল সাফারি 

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬
উত্তরবঙ্গের স্বাদ এবার জঙ্গলমহলে! বেলপাহাড়িতে চালু হচ্ছে জঙ্গল সাফারি 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গের অভয়ারণ্যগুলোর মতো এবার দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলমহলেও মিলবে রোমাঞ্চকর জঙ্গল সাফারির আনন্দ। ঝাড়গ্রাম জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বেলপাহাড়িতে খুব শীঘ্রই এই জঙ্গল সাফারি চালু হতে চলেছে। শুধু জঙ্গল ভ্রমণই নয়, পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এখানে প্রকৃতির কোলে গড়ে তোলা হবে একটি অত্যাধুনিক পর্যটন পার্ক। বেলপাহাড়ির বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রকে নতুন রূপে ঢেলে সাজানোর এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক প্রণত টুডু।

বেলপাহাড়ি ও তার আশেপাশের চিল্কীগড়, কাঁকড়াঝোর কিংবা ঘাঘরা জলপ্রপাতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছরই বহু মানুষ ভিড় জমান। এবার সেই পর্যটনকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন এই পরিকল্পনায় পর্যটকেরা কেবল বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই দেখবেন না, তার সঙ্গে জঙ্গলমহলের আদিবাসী সংস্কৃতির এক অনন্য অভিজ্ঞতাও লাভ করতে পারবেন।
বেলপাহাড়ীর জঙ্গলে বনদপ্তরের ক্যামেরায়  ভাল্লুক , হরিণ, নেকড়ের ছবি একাধিকবার ধরা পড়েছে। ফলে জঙ্গল সাফারির মাধ্যমে বন্যপ্রাণীদের দেখার আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। পূর্বে ঝাড়গ্ৰাম হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে হুডখোলা গাড়িতে জঙ্গল সাফারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। যদিও তা পরবর্তীতে বন্ধ হয়ে যায়। রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদল হতেই উন্নয়নমূলক কাজে তৎপরতা শুরু হয়েছে।
এই পর্যটন পার্কটিতে আদিবাসী সমাজের ঐতিহ্যবাহী নাচ, গান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন ভ্রমণপিপাসুরা। এর পাশাপাশি থাকবে জঙ্গলমহলের আদিবাসীদের নিজস্ব ও খাঁটি খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। মহুয়া, বাঁশকরল বা জঙ্গলমহলের ঐতিহ্যবাহী নানা পদের স্বাদ পর্যটকদের এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেবে। এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় আদিবাসী যুবকদের কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। বেলপাহাড়ী টুরিজ্যম অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্য বলেন, বেলপাহাড়ি চাতন পাহাড়ও চিতিপাহাড়ের মাঝে রোপওয়ে তৈরি করে নেচারপার্ক ও ঘাঘরা জলপ্রপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ঝুলন্ত ব্রিজ তৈরি করা হলে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে। বিধায়কের কাছে বিষয়টি তুলে ধরা হবে। 
বিধায়ক প্রণত টুডু জানিয়েছেন, বেলপাহাড়ির প্রাকৃতিক পরিবেশকে অক্ষুণ্ণ রেখেই এই সমস্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং পর্যটকদের থাকার জায়গার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জঙ্গলমহলের পর্যটন মানচিত্রে বেলপাহাড়ি এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। খুব শীঘ্রই এই পার্ক ও সাফারি চালুর কাজ শুরু হতে চলেছে।

আরও রাজ্য খবর