বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

সিপিএমের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা, বৃন্দা কারাত সহ নেতাকর্মী আটক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬
সিপিএমের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা, বৃন্দা কারাত সহ নেতাকর্মী আটক
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেরালার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা পিনারাই বিজয়নকে হেনস্তা করার প্রতিবাদে দেশের রাজধানী দিল্লিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। এই ঘটনার বিরুদ্ধে বুধবার সিপিএম দিল্লি রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে দিল্লির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সদর দপ্তরের সামনে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, সেই মিছিল শুরু হতেই পুলিশ নির্মমভাবে তা পণ্ড করে দেয় এবং দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেরালার প্রবীণ বাম নেতা পিনারাই বিজয়নকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে— এই অভিযোগ তুলে এদিন দুপুরে দিল্লির ইডি অফিসের দিকে এগোতে থাকেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের দাবি ছিল, বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে। মিছিলটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এগোচ্ছিল এবং কর্মীরা প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিচ্ছিলেন।
তবে ইডি দপ্তরের কিছু দূরেই দিল্লি পুলিশ বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে বিক্ষোভকারীদের পথ আটকায়। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে কর্মীরা এগোতে চাইলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কোনো রকম আলোচনা ছাড়াই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয় এবং অত্যন্ত নির্মমভাবে তাঁদের টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলতে শুরু করে।
এই বিক্ষোভ মিছিল থেকে সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, প্রবীণ সিপিআই(এম) নেত্রী বৃন্দা কারাত এবং পলিট ব্যুরোর অন্যতম সদস্য মারিয়াম ধাওলেকে আটক করে পুলিশ। শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মিছিলে শামিল হওয়া ১০০ জনেরও বেশি সিপিআই(এম) কর্মীকে আটক করে স্থানীয় থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনার পর বাম শিবিরের পক্ষ থেকে দিল্লি পুলিশের এই দমনমূলক ভূমিকার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। সিপিআই(এম) নেতৃত্বের অভিযোগ, গণতান্ত্রিক দেশে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু পুলিশ যেভাবে প্রবীণ নেতাদের সাথে অভব্য আচরণ করেছে এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে গায়ের জোরে স্তব্ধ করতে চেয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। 
বৃন্দা কারাত এদিন বলেন, বিজেপি সরকার ইডিকে ব্যবহার করে পিনারাই বিজয়নের মর্যাদাহানি করার চেষ্টা করেছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ। বিজয়নের মেয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলার তদন্তের নামে পিনারাই বিজয়নের মতো বিরোধী নেতাকে হেনস্তা করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কেরালার কংগ্রেস সরকার বিজেপি‘র সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছে। 
এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী দিনে দেশজুড়ে আন্দোলনের ঝাঁজ আরও বাড়ানো হবে বলে বাম নেতৃত্ব হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও রাজ্য খবর