রাজ্য
চার কিস্তিতে বকেয়া ডিএ: বড় প্রস্তাব রাজ্যের
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা কমিটির কাছে একগুচ্ছ বড় প্রস্তাব জমা দিল রাজ্য সরকার। পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতাধীন ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া ডিএ-র অংশটি চার কিস্তিতে বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মীদের মিটিয়ে দিতে চাইছে নবান্ন। রাজ্যের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম কিস্তি, ২০২৭ সালে দুটি কিস্তি এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারি মাসে শেষ কিস্তির টাকা দেওয়া হবে।
রাজ্যের এই চার কিস্তির ফর্মুলা শোনার পর মালহোত্রা কমিটি নির্দেশ দিয়েছে, বকেয়ার প্রথম কিস্তির টাকা আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে। তবে এই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় শর্ত রয়েছে। যে সমস্ত সরকারি কর্মচারীর 'ই-সার্ভিস বুক' সম্পূর্ণ আপডেট এবং স্ক্যান করা হয়ে গেছে, আপাতত কেবল তাঁরাই এই কিস্তির সুবিধা পাবেন। উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ের বকেয়া ডিএ ইতিমধ্যেই গ্রুপ-ডি কর্মীদের স্যালারি অ্যাকাউন্টে এবং বাকিদের পিএফ (PF) তহবিলে জমা পড়ে গিয়েছে।
অন্য দিকে, পেনশনভোগীদের ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ-র পুরো টাকা মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়েও কমিটিকে আশ্বস্ত করেছে রাজ্য। তবে এর মধ্যে একটি ভৌগোলিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। কলকাতার বাইরে যেসব পেনশনভোগীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই দুই কিস্তিতে বকেয়া ডিএ-র পুরো টাকা পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভা এলাকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টধারী পেনশনভোগীরা এখনও সেই টাকা পাননি। নবান্নের তরফে কমিটিকে জানানো হয়েছে, কলকাতার পেনশনভোগীদের এই বকেয়া না-পাওয়ার কারণ এবং সমস্যা মেটাতে রাজ্য সরকার কী কী জরুরি পদক্ষেপ করছে, তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

