রাজ্য
দ্রুত আসছে ‘ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি’, মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে খসড়া পেশ
প্রকাশিত: ৫ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: শুধু সুসংহত পরিকল্পনা বা বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, এবার একটি সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী নীতির ওপর ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন ক্ষেত্রকে ঢেলে সাজাতে চাইছে রাজ্য সরকার। পর্যটনকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পের মর্যাদা দিয়ে রাজ্যে বিনিয়োগের জোয়ার আনতেই খুব শীঘ্রই নতুন ‘ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি’ বা পর্যটন শিল্প নীতি আনতে চলেছে রাজ্যের পর্যটন বিভাগ। আগামী ৮ আগস্ট রাজ্যের বিনিয়োগ বিষয়ক ‘গ্রুপ অব মিনিস্টার্স’ বা বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে এই খসড়া নীতিটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
মঙ্গলবার পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশ তথা বলরামপুরের নেকড়ে এলাকায় আয়োজিত একটি বেসরকারি পর্যটন প্রকল্পে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্যুরিজম স্টেকহোল্ডার কনফারেন্স’-এ যোগ দিয়ে এই মেগা পরিকল্পনার কথা জানান রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ। তিনি স্পষ্ট করে দেন, পর্যটন ক্ষেত্রে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নকে এক ছাতার তলায় আনতেই এই প্রাতিষ্ঠানিক নীতির প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
পর্যটন দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী ৮ আগস্ট মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে এই নীতি সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই নবান্নের তরফে একটি ‘ক্যাবিনেট নোট’ বা মন্ত্রিসভার সংক্ষিপ্ত বিবরণী তৈরি করা হবে। এই নোটে মূলত এই নতুন নীতি আনার মূল কারণ, রাজ্যের পর্যটনের ইতিহাস, বর্তমান অর্থনৈতিক উপযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ প্রয়োজনের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। ক্যাবিনেটে চূড়ান্ত আলোচনার পর এই নীতিতে আইনি সিলমোহর দেওয়া হবে। জঙ্গলমহল থেকে শুরু করে সুন্দরবন কিংবা উত্তরবঙ্গের পাহাড়— নতুন এই পর্যটন শিল্প নীতির ফলে গোটা রাজ্যের পর্যটন ব্যবসায়ীদের একগুচ্ছ নতুন সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি ভর্তুকি মিলবে, যা রাজ্যের কর্মসংস্থানে এক বড় ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

