বিদেশ
মাঝ-আকাশে ভয়ঙ্কর ঝাঁকুনি, ৩০০ ফুট নীচে নেমে এল বিমান! জখম অন্তত ১৪
প্রকাশিত: ৪ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিমান তখন মাঝ-আকাশে। মেঘ চিরে আপন গতিতে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলছিল সেটি। আচমকাই ছন্দপতন। তীব্র ঝাঁকুনিতে কেঁপে উঠল গোটা বিমান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হু হু করে তা নীচে নামতে শুরু করে। আতঙ্কে চিৎকার জুড়ে দেন যাত্রীরা। পাইলট যখন অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, ততক্ষণে বিমানটি আকাশ থেকে প্রায় ৩০০ ফুট নীচে নেমে এসেছে। মাঝ-আকাশের এই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের জেরে যাত্রী ও বিমানকর্মী-সহ অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর।
বিমান কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাঝ-আকাশে আচমকা মারাত্মক এয়ার টার্বুলেন্স বা বায়ুক্ষেত্রের তীব্র আলোড়নের মুখে পড়েছিল বিমানটি। ঝাঁকুনির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, সিটবেল্ট বেঁধে বসে থাকা সত্ত্বেও বহু যাত্রী বিমানের ছাদে ও দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা খান। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের মাথায় ও ঘাড়ে গুরুতর চোট লেগেছে। পাশাপাশি, আচমকা বিমানটি দ্রুত নীচে নেমে আসায় বায়ুচাপের খামখেয়ালি পরিবর্তনের জেরে কয়েকজন যাত্রীর কানের পর্দা ফেটে গিয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যেই পাইলটের দক্ষতায় বিমানটিকে শেষ পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে জরুরি অবতরণ করানো সম্ভব হয়। বিমানটি মাটিতে ছোঁয়া মাত্রই তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আপাতত তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মাঝ-আকাশের এই রুদ্ধশ্বাস ও আতঙ্কজনক অভিজ্ঞতার রেশ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারছেন না বিমানের যাত্রীরা। কীভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিমান নিয়ামক সংস্থা।

