বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বোধিবৃক্ষ

মানুষের আসল প্রকৃতি

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৬
মানুষের আসল প্রকৃতি
সন্দীপ সিনহাসন্দীপ সিনহা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

উপনিষদে বলা হয়েছে —যখনই তোমরা কিছু দান করবে, তখন শ্রদ্ধার সঙ্গে দান করবে, প্রেম ও ভালোবাসার সঙ্গে দান করবে। প্রত্যেক ধর্মেই দান করার উপদেশ আছে কারণ দান মানুষকে পরার্থপর করে। দান অন্যের সঙ্গে ভাগ করে জীবনযাপন করতে অনুপ্রাণিত করে এবং বান অবশ্যই আমাদের দৃষ্টিকে উদার ও হৃদয়কে প্রসারিত করে। কোন কিছু দানের সঙ্গে যখন ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা মিশিয়ে দেওয়া হয় সেই উপরি দানটি হল আধ্যাত্মিকতা, এটিই হল পরার্থপরতা। শিল্প কি? এর উত্তরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, শিল্প হল প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু একটা দেওয়া। একটি দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ঘুমানোর জন্য একটা চারপেয়ে খাটের প্রয়োজন। কিন্তু যদি খাটের পায়া গুলোতে লতা পাতা ফুল ইত্যাদি খোদাই করা হয় সেটাই হয়ে যাবে একটা শিল্প। এইসব ফুল খোদাই করার কিন্তু কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু যখন প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত কিছু একটা যোগ করা হচ্ছে তখন সেটা শিল্প।। অনুরূপভাবে আধ্যাত্মিকতা ব্যাপারটিও কিছু একটা উপরি বস্তু। আধ্যাত্মিকতা হয়তো জীবন যাত্রার সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু একটা যোগ করা। একইভাবে গতানুগতিক খাওয়া, শোয়া এবং সবকিছু করা। কিন্তু এর সঙ্গে 'আমি এই সব কিছু করছি আমার সমাজের জন্য'- এই ভাবটি যোগ করা হলে সেটিই হবে আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি। আমি সমগ্র মানব সমাজের কল্যাণের জন্য ত্যাগ করছি অথবা স্বয়ং ঈশ্বরের সন্তুষ্টির জন্য করছি-এই ভাবটি যোগ করা হলে সেটিই হবে আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি। যখন কোন ব্যক্তি অন্যের কথা ভাবে, অন্য জীবিকার লোকের কথা চিন্তা করে তখন তার জীবনে একটা বিশেষ তাৎপর্য এবং অতিরিক্ত মূল্যবোধ দেখা যায়। বেদান্ত বলছেন, মানুষের আসল প্রকৃতি হল তার আধ্যাত্মিক স্বভাবটি। আত্ম-স্বরূপ , আত্ম-স্বভাব।