বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

জিম করবেটের মোহন সাফারি জোন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

প্রকাশিত: ৮ মে, ২০২৬
জিম করবেটের মোহন সাফারি জোন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিখ্যাত ব্যাঘ্র প্রকল্প জিম করবেট এবং কালাগড় টাইগার বরিজার্ভের মোহন সাফারি জোন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন দফতর। গত এক মাসে বাঘের হামলায় স্থানীয় দুই বাসিন্দার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর পর্যটকদের নিরাপত্তার খাতিরে এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গত রবিবার সন্ধ্যায় তাদাম গ্রামের ৫৫ বছর বয়সি মহীপাল সিং মেহরা বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারান। এই ঘটনার পর তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা পর্যটন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাফারির কারণে জঙ্গলে মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীরা দিকভ্রান্ত হয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে, যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

বন দফতর সূত্রে খবর, ঘাতক বাঘটি এখনও ওই এলাকাতেই বিচরণ করছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ডিএফও দীপক সিং পুরো এলাকায় বন দফতরের টহলদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বাঘটিকে চিহ্নিত করে বন্দি করার জন্য তাদাম গ্রাম ও তার আশপাশে একাধিক খাঁচা বসানো হয়েছে। নজরদারির কাজে ড্রোন এবং ট্র্যাপ ক্যামেরার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একটি বিশেষ ট্রাস্কুলাইজার টিমকে সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে বাঘটিকে দেখা মাত্রই ঘুমপাড়ানি গুলি ছুঁড়ে কবজা করা যায়। বাঘটি খাঁচাবন্দি না হওয়া পর্যন্ত সাফারি জোন খোলার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছে প্রশাসন।

এদিকে প্রশাসনের ঢিলেমি নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে প্রবল অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। গত মাসে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে কুমেরিয়া থেকে তাদাম পর্যন্ত চার কিলোমিটার জঙ্গলপথে সোলার লাইট বসানো হবে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সেই কাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। ডিএফও এবং এসডিও অবশ্য নতুন করে আশ্বাস দিয়েছেন যে পাহাড়ি রাস্তায় দ্রুত আলোর ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে রেঞ্জ অফিসার গঙ্গাশরণের নেতৃত্বে বনকর্মীরা জঙ্গল ও সংলগ্ন জনপদগুলোতে কড়া পাহারা দিচ্ছেন যাতে নতুন করে আর কোনও প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে।