বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

মাধ্যমিকে কেমন হল আউশগ্রাম, গলসির রেজাল্ট?

প্রকাশিত: ১০ মে, ২০২৬
মাধ্যমিকে কেমন হল আউশগ্রাম, গলসির রেজাল্ট?
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ শুক্রবার মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮৪ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করা হয়েছে। এদিন সকাল থেকেই কাঁকসা, আউশগ্রাম, গলসি এলাকায় বিদ্যালয়গুলিতে সকাল থেকেই ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যায় পড়ুয়া থেকে অভিভাবকদের। স্কুল কখন রেজাল্ট দেবে সে অপেক্ষা না করে প্রায় সব পড়ুয়া অনলাইন প্রক্রিয়ায় ফলাফল জেনে নেয়। 

কাঁকসা ব্লকের মধ্যে পানাগড় রামকৃষ্ণ আশ্রম বিদ্যাপীঠে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে শুভজিৎ হাজরা। সে ৬৮২ পেয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ৭৪ জন। সকলেই উত্তীর্ণ হয়েছে। দোমড়া শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম বিদ্যাপীঠে সর্বোচ্চ ৬৬১ নম্বর পেয়েছে কৃষ্ণেন্দু পাল। সে বলে, রামকৃষ্ণ আশ্রমের অনুশাসন আর নিয়ম মেনে পড়েই সাফল্য এসেছে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। ত্রিলোকচন্দ্রপুর জরিলাল স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবারে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে অন্তরা মণ্ডল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৫৯৯। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবারে পরীক্ষার্থী ছিল ৬৯ জন। যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০ জন। অযোধ্যা হাই স্কুলে এবারে পরীক্ষার্থী ছিল ১১২ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৯০ জন। সর্বোচ্চ ৬৫৫ নম্বর পেয়েছে উদিতা রক্ষিত। 

আউশগ্রামের আউশগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এবার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে রাজশেখর সরকার। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৯। গুসকরা পিপি ইনস্টিটিউশনে সর্বোচ্চ ৬৭২ নম্বর পেয়েছে রূপম বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সানোয়ার হাসান বলেন, এই এলাকায় আমাদের বিদ্যালয় থেকে বরাবরই ভালো ফলাফল হয়। শিক্ষকরা পড়াশোনার মান ধরে রাখার চেষ্টা করেন। পড়ুয়াদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ভালো ফলাফলের একটি অন্যতম কারন। 

গলসির শিড়রাই আলিজান মল্লিক উচ্চ বিদ‍্যালয়ে এবার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে শেখ মুনীরুল আবেদিন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬২৮। রামগোপালপুর উচ্চ বিদ‍্যালয়ে এবার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে রাজ মণ্ডল। ৬৫২ পেয়েছে সে। স্কুল সূত্রে জানা যায় এবার পরীক্ষার্থী ছিল ২১২ জন। কিন্তু উত্তীর্ণ হয়েছে ১৫৪ জন। প্রাচীন এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ে খারাপ ফলাফল মানতে পারছেন না এলাকার অনেকেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে। পড়ুয়াদের মোবাইলের দিক নজর রয়েছে ঠিকই। তবে শিক্ষক ও অভিভাবক দুপক্ষই এগিয়ে না এলে স্কুলের ফল ভবিষ্যতে আরও খারাপ হবে। বুদবুদ মহাকালী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথমেশ ঘোষ ৬১৪ নম্বর পেয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক বিক্রমাদিত্য মন্ডল বলেন, টেস্ট পরীক্ষার পর স্পেশাল ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রেজাল্ট যাতে ভালো হয় সে চেষ্টা করা হবে।

আরও জেলা খবর