বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

গলসিতে জয়ী বিজেপির 'বুলডোজার বাবা' রাজু

প্রকাশিত: ৮ মে, ২০২৬
গলসিতে জয়ী বিজেপির 'বুলডোজার বাবা' রাজু
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ হ্যাটট্রিক হল না গলসির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অলোককুমার মাঝির। বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্রের কাছে হেরে গেলেন তিনি। বিজেপির এগিয়ে থাকার খবর পেতেই মানকর, পানাগড়, গলসি এলাকায় গেরুয়া আবির মাখলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এদিন জেতার পর মানুষের কাজ করার আশ্বাস দিলেন রাজু।

১৯৫২ সালে এই কেন্দ্রে প্রথম নির্বাচন হয়। তখন জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। তারপর থেকে গলসি ছিল বামেদের। বরাবর জিতেছেন ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী। কিন্তু ২০১১ সালের পালাবদলের পর থেকে একদা বাম দুর্গ বলে পরিচিত এই বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের আধিপত্য কমতে থাকে। ক্রমশ তৃণমূল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। গত বার গলসি থেকে জিতেছিলেন তৃণমূলের নেপাল ঘোড়ুই। এবার এই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল জামালপুরের বিদায়ী বিধায়ক অলোকবাবুকে। নেপালবাবুর আগে তিনি গলসির বিধায়ক ছিলেন। তাই এবার জিতলে তাঁর হ্যাটট্রিক হত। প্রার্থী ঘোষণার পর ব্যাপক প্রচার করলেও জয় এল না হাতে। এদিন জয়ের আভাস পেতেই মানকরে ক্যাম্পের মোড়, হাটতলা, পানাগড়ে গেরুয়া আবির মাখেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিনের পানীয় জল, নিকাশী সহ একাধিক সমস্যার দিকে তৃণমূল নজর দেয়নি। তারই প্রভাব পড়েছে ভোটে।
বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র বুলডোজার নিয়ে নমিনেশন জমা দিয়ে তিনি সকলের নজরে এসেছিলেন। এদিন জেতার পরে সেই প্রসঙ্গ উঠে এল। নিজেকে ‘বুলডোজার বাবা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বুলডোজার বাবা ও বিজেপির জয় হল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জল ও সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেব। মানুষ তৃণমূলের দুর্নীতিকে পছন্দ করেনি।   
এদিন মানকর, পানাগড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। পানাগড় গ্রামে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল করে। বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয় কার্যালয়ে। তৃণমূলের প্রতীক মুছে ফেলা হয়। সেখানে রাজু পাত্রের ভোটের প্রচারের ফ্লেক্স লাগানো হয়। 
সিপিএম এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্ম মনিমালা দাসকে। এলাকায় লাল পতাকা ফের উড়বে বলে মনে করছিলেন সিপিএম কর্মীরা। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। পাশাপাশি দেরিতে লড়াই শুরু করেও সেভাবে প্রচারে ছাপ ফেলতে পারেনি কংগ্রেস।