বিনোদন
‘বন্দে মাতরম’ প্রসঙ্গে শর্মিলার মন্তব্যে বিতর্ক
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: ‘বন্দে মাতরম’ সংগীতের স্তবক গাওয়া নিয়ে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর স্পষ্ট মত, এই গানের পুরোটা গাওয়া হলে তা দেশের বহু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত দিতে পারে। তাই আগের রীতি মেনে শুধু প্রথম দু’টি স্তবক গাওয়াই বাঞ্ছনীয়।
শর্মিলা ঠাকুর দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমাদের দেশে এমন অনেক সম্প্রদায় আছে, যারা কেবল এক ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাসী, বহু ঈশ্বরে নয়। ‘বন্দে মাতরম’-এর পরবর্তী অংশে এমন কিছু পঙ্ক্তি রয়েছে, যেখানে বহু দেবদেবীর উল্লেখ আছে। যা গাইতে অনেকেরই ধর্মীয় ভাবাবেগে অসুবিধে হতে পারে।” তিনি সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করেন, এক ঈশ্বরবিশ্বাসী ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষরা ‘বন্দে কালী’ বা ‘বন্দে দুর্গা’র মতো পঙ্ক্তি গাইতে অনিচ্ছুক হতে পারেন। তাই সব ধর্মের মানুষের কথা মাথায় রেখে আগের মতো প্রথমার্ধের শুধু দু’টি পঙ্ক্তি গাওয়াই উচিত।
শর্মিলার এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে আসরে নেমেছেন বিজেপি অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। শর্মিলাকে সরাসরি নিশানা করে কঙ্গনা বলেন, “কী করে একজন প্রতিভাবান শিল্পী হয়েও ‘বন্দে মাতরম’-এর মতো একটি পবিত্র জাতীয় সংগীতকে শুধু হিন্দু-মুসলমানের সংকীর্ণ আঙ্গিকে দেখতে পারেন, তা ভেবেই আমি অবাক হচ্ছি!” এই গানটিকে শুধু ধর্মের চশমা দিয়ে বিচার করা অনুচিত বলে মনে করেন সাংসদ।

