হট টপিক
হার্ট অ্যাটাক: প্রথম দশ মিনিটই জীবন-মরণের আসল চাবিকাঠি
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: হার্ট অ্যাটাকের পর প্রথম ১০ মিনিট। সময়টা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিরিখে অত্যন্ত কম হলেও, এই কয়েকটা মিনিটই আসলে ঠিক করে দেয় একজন রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন, নাকি তাঁর হৃদযন্ত্র চিরতরে বিকল হবে। এই কারণেই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে একটি আপ্তবাক্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আর তা হলো— ‘টাইম ইজ মাসল’। অর্থাৎ, যত বেশি সময় হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচল বন্ধ থাকবে, ঠিক তত বেশি পরিমাণে হৃদপেশি নষ্ট হতে থাকবে।
চিকিৎসকদের মতে, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মূলত জীবন-মরণের লড়াই শুরু হয়ে যায়। বুক ধড়ফড় করা, বুকে তীব্র চাপ বা ব্যথা, বাম হাত, চোয়াল বা পিঠে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া এবং সেই সঙ্গে ঠান্ডা ঘাম দেওয়ার মতো লক্ষণগুলি দেখা মাত্রই সতর্ক হতে হবে। লক্ষণগুলি দ্রুত চিনে নিয়ে যদি রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া যায়, তবে মৃত্যুঝুঁকি যেমন অনেকটাই কমে, তেমনই হৃদ্যন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতিও অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই গোল্ডেন আওয়ার বা প্রথম ১০ মিনিটে রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে এবং কোনওভাবেই তাঁকে হাঁটাহাঁটি করতে দেওয়া যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে দ্রুত অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ চিবিয়ে খাইয়ে দেওয়া এবং রোগী অচেতন হয়ে পড়লে অবিলম্বে সিপিআর (CPR) বা বুকে চাপ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। এই সামান্য সচেতনতাই একজন মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে দিতে পারে।

