বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

পরকীয়ার চরম পরিণতি, প্রেমিকের মৃত্যুর পর আত্মঘাতী প্রেমিকা

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর, ২০২৬
পরকীয়ার চরম পরিণতি, প্রেমিকের মৃত্যুর পর আত্মঘাতী প্রেমিকা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, শ্রীরামপুর: সম্পর্কে তীব্র টানাপড়েন এবং পারিবারিক অশান্তির জেরে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটে গেল দুটি অস্বাভাবিক মৃত্যু। পরকীয়া সম্পর্কের চরম ও মর্মান্তিক পরিণতি দেখল হুগলির কোন্নগর। আত্মঘাতী প্রেমিক সন্দীপ গুপ্তের (২৬) মৃত্যুসংবাদ পাওয়া মাত্রই নিজের বাপের বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে নিজেকে শেষ করে দিলেন প্রেমিকা সঙ্গীতা সাউ (২৫)। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যুবকের মৃত্যুর পর শনিবার তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন্নগরের গোপালচন্দ্র বোস সরণির বাসিন্দা সঙ্গীতার সঙ্গে বছর পাঁচেক আগে বিয়ে হয়েছিল কোন্নগরেরই বাসিন্দা সোমনাথ মণ্ডলের। তাঁদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই তাঁদের দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই থাকত। এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে কোন্নগর চটকল এলাকার বাসিন্দা তথা পেশায় টোটোচালক সন্দীপ গুপ্তের সঙ্গে আলাপ হয় সঙ্গীতার। অল্প দিনের মধ্যেই তাঁদের সেই আলাপ গভীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে রূপ নেয়।
স্ত্রীর এই সম্পর্কের কথা স্বামী সোমনাথের কান পর্যন্ত পৌঁছাতেই দাম্পত্য বিবাদ চরম আকার নেয়। অশান্তি সহ্য করতে না পেরে গত মাস দুয়েক ধরে বাপের বাড়িতেই থাকছিলেন সঙ্গীতা। তবে সেখানেও শান্তি মেলেনি। এক টোটোচালকের সঙ্গে মেয়ের এমন সম্পর্কের কথা জানতে পেরে বাপের বাড়ির লোকেরাও ক্ষুব্ধ হন এবং নিত্য অশান্তি শুরু হয়।
পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নেয় গত বুধবার রাতে। ওই দিন প্রেমিক সন্দীপের সঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ফেরেননি সঙ্গীতা। পরদিন ভোর ৪টে নাগাদ বাড়ি ফিরলে বাপের বাড়িতে চরম অশান্তি বাধে। এই ধারাবাহিক মানসিক লাঞ্ছনা ও অশান্তি সহ্য করতে না পেরে বৃহস্পতিবারই কোন্নগর রেললাইনে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন সন্দীপ। বেলুড় জিআরপি থানা তাঁর দেহ উদ্ধার করে।
শনিবার সেই মৃত্যুসংবাদ পৌঁছায় সঙ্গীতার কাছে। প্রেমিক চিরতরে চলে গিয়েছেন, এই চরম সত্য মেনে নিতে পারেননি ওই বধূ। শনিবারই বাপের বাড়ির ঘরের সিলিং থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ দুটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও প্ররোচনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।

আরও খবর