বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

সংস্কারের প্রভাব

প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬
সংস্কারের প্রভাব
সন্দীপ সিনহাসন্দীপ সিনহা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

মানুষের ব্যক্তিত্বের গভীরতম প্রদেশে অনুসন্ধান চালাতে হলে প্রথমে এটা স্বীকার করতে হবে যে স্থূলশরীরের মধ্যেই একটি সূক্ষ্মশরীর আছে। পাঁচটি শুদ্ধ ও সূক্ষ্ম মহাভূত নিয়ে যেমন এই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে তার সঙ্গে আমাদের স্থূলশরীরও ওই পঞ্চ মহাভূতের সমষ্টি। এই পঞ্চ মহাভূত হলো—মাটি, জল, আগুন, বায়ু ও আকাশ। সুতরাং প্রকাশমান বিশ্ব ও আমাদের স্থূলশরীর বিভিন্ন উপাদানের সংমিশ্রণে তৈরি, কিন্তু আমাদের সূক্ষ্মশরীর অযৌগিক মহাভূতগুলি থেকে উদ্ভূত। এই সূক্ষ্মশরীর সুপ্ত সংস্কার দ্বারা আচ্ছন্ন। আমরা কোন একটি কাজ করলাম কিন্তু সেই কাজ তো একটা সময় শেষ হয়। বেশ কিছুকাল পর সেই অভিজ্ঞতাও আমরা ভুলে যাই। কিন্তু সংস্কাররূপে চিত্তে তার ছাপ থেকে যায়। এগুলিকে বাসনা বলে। ভারতীয় মনোবিজ্ঞান যে এত উন্নত তার কারণ মনের তলদেশে পৌঁছে সে এই বাসনা বা সংস্কারের সন্ধান পেয়েছে। যন্ত্রের কোনো বাসনা থাকে না। কিন্তু মানুষ যখন কাজ করে মনের গভীরে তার সূক্ষ্ম ছাপ থেকে যায়। ফলে মৃত্যুর পর স্থূল শরীর বিনষ্ট হলেও সংস্কার দিয়ে গড়া ব্যক্তির সূক্ষ্ম শরীর নতুন পরিবেশে নতুন স্থূলশরীররূপে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় থাকে। এই যে সংস্কার সমন্বিত সূক্ষ্মশরীর এটি মানব ব্যক্তিত্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক। চরিত্রের উপর এই সংস্কারের প্রভাব অপরিসীম। চরিত্র ভালো হবে কি মন্দ হবে তা নির্ভর করে এই সংস্কারের উপর। তাই এই সংস্কারকে সযত্নে নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের চরিত্রের আমূল রূপান্তর আমরাই ঘটাতে পারি। আমাদের সচেতনভাবে চেষ্টা করতে হবে যাতে মনে শুভসংস্কার তৈরি হয়। তা করলে তবেই আমরা চরিত্রকে উন্নত করতে পারবো।

আরও খবর