রাজ্য
রাস্তার মাঝে কংগ্রেস কর্মীদের হাতাহাতি, মুখ পুড়ল ব্লক কংগ্রেসের
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমানঃ শনিবার প্রকাশ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ল দুই পক্ষের কংগ্রেস কর্মীরা। প্রথমে তর্কাতর্কি, হাতাহাতি হলেও তা গড়ায় ধস্তাধস্তিতে। চেয়ার টেবিলও ভাঙচুর হয়। শেষমেশ অন্য দলীয় কর্মীদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি থামে। ঘটনার জেরে কেউ গুরুতর আহত না হলেও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনেই এ নিয়ে মুখ পুড়ল ব্লক কংগ্রেসের। তবে সকলেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেছেন।
শনিবার সংগঠন সৃজন অভিযান কার্যক্রমে গলসিতে উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় অবজার্ভার শরৎ রাউত। পূর্ব বর্ধমানের দায়িত্ব রয়েছে তাঁর। এদিন প্রথমে গলসিতে আসেন তিনি। পরে সেখানে বৈঠক শেষে পুরষায় যান। গলসি থেকে পুরষায় আসতে দেরী হওয়াকে কেন্দ্র করে এই বাদানুবাদ শুরু হয়। গলসি-২ ব্লক সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের সাংগঠনিক সভা চলছিল। সভা শেষের দিকে গুন্ডাবাহিনী এসে আমাদের আক্রমন করা হয়। চেয়ার টেবিল ভাংচুর করেছে। কেন্দ্রীয় অবজার্ভারকেও আঘাত করা হয়। আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অপর পক্ষের জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ নবিরুল হক বলেন, সংঠনকে মজবুত করার জন্য গলসি বিধানসভায় কর্মীরা এসেছিলেন। কিছু অরাজনৈতিক ব্যক্তির জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। গলসি-১ ব্লকের দলীয় কার্যালয়ে সমস্ত অঞ্চলের মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন। কিন্তু আচমকা শোনা যায় এটা পরিবর্তন করে গলসি-২ ব্লকে করা হচ্ছে। তাই ক্ষিপ্ত হয়ে মানুষ চড়াও হয়। তবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করে শরৎ রাউত বলেন, কোনো ঝামেলা নেই। আমরা কোথায় বসব তাই নিয়েই ঝামেলা হয়েছিল। সব ঠিক হয়ে গিয়েছি। পরের বার এক জায়গায় সবাই বসব।
বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসের পোড় খাওয়া নেতা পূরব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দল যখন ঘুড়ে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে তখন এক শ্রেনির কর্মীর এই আচরণ কাম্য নয়। ঊর্ধ্ব নেতৃত্বের হস্তক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি। বিজেপি নেতা রোহিত সিং বলেন, কংগ্রেস তার গুরুত্ব হারিয়েছে। মানুষ কংগ্রেসকে প্রত্যাখান করেছে। আর এই চুনোপুঁটিরা পদের জন্য লড়াই করে প্রাসঙ্গিক থাকার চেষ্টা করছে।

