বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

ধর্মীয় স্থানে মাইক বাজানো নিয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর 

প্রকাশিত: ১৪ মে, ২০২৬
ধর্মীয় স্থানে মাইক বাজানো নিয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি:পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তারস্বরে লাউডস্পিকার বা মাইক বাজানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার। নবান্নে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনো ধর্মীয় বা উপাসনালয় থেকেই নির্ধারিত মাত্রার বাইরে শব্দ বাইরে ছড়ানো যাবে না। আইন মেনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করাই প্রশাসনের একমাত্র লক্ষ্য। 

মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, মন্দির, মসজিদ বা গির্জা—যেকোনো ধর্মীয় স্থানের লাউডস্পিকারের আওয়াজ যেন কোনোভাবেই আইনের বেঁধে দেওয়া ডেসিবেল সীমা এবং চত্বরের বাইরে না যায়।
ধর্মীয় আচার বা প্রার্থনার দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে জনপথ বা রাস্তা বন্ধ করে কোনো জমায়েত করা যাবে না।নির্দিষ্ট অনুমোদিত জায়গা ছাড়া যেখানে-সেখানে বা নিয়ম-বহির্ভূতভাবে প্রকাশ্যে গবাদি পশু জবাই বা পশুবলি দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে দুর্গাপূজা, ঈদ বা বড় কোনো সামাজিক উৎসবের দিনগুলোকে বিশেষ পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হবে।
 মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন, এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো জোরজুলুম বা সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করা যাবে না। স্থানীয় স্তরে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এবং অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে এই নিয়ম বলবৎ করতে হবে। প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় তারস্বরে মাইক বাজানোর কারণে শিক্ষার্থী, প্রবীণ নাগরিক এবং রোগীরা মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। 
রাজ্য সরকারের এই কড়া পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ বড়সড় স্বস্তি পাবেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরা সরকারি এই আইনকে স্বাগত জানিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। উল্লেখ্য, পরিবেশ আদালতের নিয়ম অনুযায়ী, বসতি এলাকায় সর্বোচ্চ ৫৫ ডেসিবেল পর্যন্ত স্বরে বাজানো যায় মাইক। তবে শিল্পতালুক ও ব্যবসায়িক এলাকায় এই মাত্রা কিছুটা বেশি। ধর্মীয় স্থান যেহেতু সাধারণত বসতি এলাকায় তৈরি হয়, তাই এখানকারও সর্বোচ্চ মাত্রা ৫৫ ডেসিবেল নির্ধারিত করেছে পরিবেশ আদালত। তবে বিশেষ উৎসব ও অনুষ্ঠানে ৬৫ ডেসিবেল পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হত এতদিন। কিন্তু রাজ্যে সরকার বদলের পর যাবতীয় নিয়ম কঠোর করা হয়েছে।