বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বিদেশ

শান্তিচুক্তির পরদিনই ‘ইউ-টার্ন’, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান

প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬
শান্তিচুক্তির পরদিনই ‘ইউ-টার্ন’, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা। আন্তর্জাতিক মহলের সমস্ত আশাবাজিতে জল ঢেলে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) বন্ধ করে দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’-এর পক্ষ থেকে এই চরম সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের এই পদক্ষেপের ফলে ফেরবিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে বড়সড় সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরানের সামরিক কমান্ডের দাবি, সদ্য স্বাক্ষরিত সংঘর্ষবিরতি ও শান্তিচুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। চুক্তি হওয়ার পরও তারা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেনি। এই চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব দিতেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের স্পষ্ট বার্তা, তাদের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তারা এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ করতে বাধ্য থাকবে।
বিশ্বের মোট উৎপাদিত খনিজ তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালী হয়েই বিভিন্ন দেশে পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় আকাশছোঁয়া হয়ে যাওয়া। শনিবারের এই ঘোষণার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের এই জলপথে নতুন করে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং বহু বাণিজ্যিক জাহাজ তাদের রুট পরিবর্তন করতে শুরু করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা করলেও, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই দাবি সম্পূর্ণ খণ্ডন করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়নি, তা সম্পূর্ণ খোলা রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক আছে। আমেরিকার দাবি, ইরান বিশ্ব বাজারে আতঙ্ক তৈরি করতেই এই ধরনের ভুয়ো ও উস্কানিমূলক প্রচার চালাচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনী পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে বলেও জানানো হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিনই ইরান ও আমেরিকার এই বিপরীতমুখী অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এখন বিশ বাঁও জলে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।