বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বিদেশ

অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার বিরুদ্ধে ‘গেরিলা যুদ্ধে’ জনতা! মৃত অন্তত ১১

প্রকাশিত: ৯ জুন, ২০২৬
অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার বিরুদ্ধে ‘গেরিলা যুদ্ধে’ জনতা! মৃত অন্তত ১১
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল পাক অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)। পাকিস্তান সরকারের দমনপীড়ন এবং সেনার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় মানুষ। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক যে, কার্যত পাক সেনার বিরুদ্ধে সরাসরি ‘গেরিলা যুদ্ধে’ নেমে পড়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটে আন্দোলনকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালালে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৭০ জনেরও বেশি মানুষ। বেগতিক দেখে আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডার মতো দেশগুলি ইতিমধ্যেই তাদের নাগরিকদের জন্য জরুরি ‘ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি’ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 

কীভাবে ছড়াল হিংসার আগুন? সম্প্রতি পাক প্রশাসন সেখানে আন্দোলনরত নাগরিক অধিকার সংগঠন ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (JAAC)-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর বিরুদ্ধে গোটা অঞ্চল জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। রাওয়ালকোটের একটি হাসপাতালের মর্গের বাইরে এক মৃত অধিকার কর্মীর শেষকৃত্যের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ, আচমকাই সেখানে চড়াও হয়ে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা ও রেঞ্জার্স।
সেনার এই অমানবিক অত্যাচারের পর দমে না গিয়ে পাল্টা রুখে দাঁড়ায় জনতা। লাঠি, পাথর ও স্থানীয় অস্ত্র নিয়ে সেনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, অধিকৃত কাশ্মীরে যেভাবে সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে পাকিস্তানি সেনাকে তাড়া করছে, তাতে কাঁপন ধরেছে ইসলামাবাদের নীতিনির্ধারকদের। একদিকে বালুচিস্তানের বিদ্রোহ, অন্যদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় তালিবানি হানা সামলাতে গিয়ে এমনিতেই নাজেহাল পাক ফৌজ। তার ওপর PoK-র এই গণবিদ্রোহ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, বছরের পর বছর ধরে চলা অর্থনৈতিক শোষণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং পাক সেনার অত্যাচারের বিরুদ্ধে কাশ্মীরিদের এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবার চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে, যা পাকিস্তান সরকারের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।