বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বিদেশ

বেরুটে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬
বেরুটে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবারই ইরানের সঙ্গে আমেরিকার বহু প্রতীক্ষিত সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি সই হওয়ার কথা দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি সইয়ের সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে ইরান সরাসরি মুখ না খুললেও, এই প্রথমবার সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছিল তেহরান। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দেয় যে, লেবাননও এই ঐতিহাসিক চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ হতে চলেছে। কিন্তু ট্রাম্পের সেই শান্তি-বার্তায় কার্যত জল ঢেলে দিল ইজরায়েল। 

রবিবার দিনভর লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে চলল তীব্র আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ, যা ভেস্তে দিল শান্তি প্রক্রিয়ার প্রাথমিক তৎপরতাকে।
বেরুটে ইজরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন ট্রাম্প। রবিবার শান্তি চুক্তির আবহ তৈরি হতেই আচমকা লেবাননের রাজধানী বেরুটে জোরালো বিমান হামলা চালায় ইজরায়েলি সেনা। ট্রাম্প প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বেরুটের প্রাণকেন্দ্রে এই হামলা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত করেছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যেখানে ইরান ও লেবাননকে সঙ্গে নিয়ে একটি বড়সড় যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত হচ্ছিল, সেখানে ইজরায়েলের এই আগ্রাসী পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের অস্বস্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। নিজের এই ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ্যেই উগরে দিয়েছেন ট্রাম্প।
ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েও লেবাননকে পাশে চায় ইরান। দীর্ঘদিন পর আমেরিকার সঙ্গে কোনো চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে তারা এই চুক্তিতে আগ্রহী, তবে তা লেবাননকে বাদ দিয়ে সম্ভব নয়। লেবাননকে এই চুক্তির অন্যতম শরিক বা ‘অবিচ্ছেদ্য অংশ’ হিসেবে রাখার যে দাবি ইরান তুলেছে, তা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
যুদ্ধবিরতির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। মার্কিন প্রেসিডেন্টের তৎপরতা এবং ইরানের সবুজ সংকেত থাকা সত্ত্বেও লেবানন সীমান্ত এবং বেরুট জুড়ে রবিবার যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের লড়াই চলল, তাতে এই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া হয়েছে। একদিকে হোয়াইট হাউসের শান্তি প্রতিষ্ঠার মরিয়া চেষ্টা, অন্যদিকে ইজরায়েলের অনড় সামরিক অবস্থান— এই দুইয়ের টানাপোড়েনে রবিবাসরীয় চুক্তি অধরাই থেকে গেল।
এখন দেখার, ট্রাম্পের এই চরম বিরক্তি প্রকাশের পর মার্কিন প্রশাসন ইজরায়েলের ওপর কোনো কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে ইরান ও লেবাননের সঙ্গে এই চুক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে কি না।