বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

দিনদুপুরে গায়েব ১৩২ ফুটের আস্ত মোবাইল টাওয়ার! বিহারে তাজ্জব পুলিশ

প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬
দিনদুপুরে গায়েব ১৩২ ফুটের আস্ত মোবাইল টাওয়ার! বিহারে তাজ্জব পুলিশ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ চোরেরা পকেট মারে, গয়নাগাটি বা টাকা-পয়সা সরায়— এ তো জানা কথা। কিন্তু তা বলে আস্ত একটা ১৩২ ফুট লম্বা লোহার মোবাইল টাওয়ার চুরি! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এমনই এক তাজ্জব ঘটনা ঘটেছে বিহারের বক্সার জেলার ডুমরাওন এলাকায়। জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে বিশালাকার এই টাওয়ারটি কীভাবে সকলের নজর এড়িয়ে গায়েব হয়ে গেল, তা ভেবেই কপালে চোখ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডুমরাওন এলাকায় একটি জমিতে ওই বিশালাকার মোবাইল টাওয়ারটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো বা অচল অবস্থায় পড়ে ছিল। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট টেলিকম সংস্থার কর্মকর্তারা ওই এলাকায় পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছে তাঁরা রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান। দেখা যায়, যেখানে ১৩২ ফুটের টাওয়ারটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার কথা, সেখানে কেবল ফাঁকা জমি পড়ে রয়েছে। শুধু লোহার টাওয়ারটিই নয়, তার সাথে থাকা অত্যন্ত মূল্যবান সমস্ত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং ভারী জেনারেটরটিও চুরি করে নিয়ে গিয়েছে চোরেরা।তদন্তে নেমে পুলিশ জমির মালিক হরনাথ যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি জানান, প্রায় ১০ বছর আগে ওই মোবাইল টাওয়ার কোম্পানির সঙ্গে তাঁর জমি ভাড়ার চুক্তি হয়েছিল। ২০২২ সালে সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। কিন্তু মেয়াদ ফুরনোর পর কোম্পানির তরফ থেকে আর কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বা টাওয়ারটি সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সেটি ওভাবেই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল।
এই চুরির ঘটনায় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন উঠছে: জনবসতির মাঝে চুরি করা কীভাবে সম্ভব? চারদিকে ঘরবাড়ির মাঝখান থেকে এত বড় লোহার কাঠামো কীভাবে দিনের আলোয় কেটে নিয়ে যাওয়া হলো, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে।
প্রাথমিক অনুমান, চোরেরা হয়তো কোম্পানির ভুয়ো কর্মী সেজে গ্যাস কাটার এবং বড় গাড়ি নিয়ে এসে কয়েক দিন ধরে ধীরেসুস্থে এই চুরির অপারেশন চালিয়েছে। সরকারি বা কোম্পানির লোক ভেবেই হয়তো আশেপাশের মানুষজন এই কাজে কোনো বাধা দেননি। 
ইতিমধ্যেই কোম্পানির অভিযোগের ভিত্তিতে বক্সার জেলার পুলিশ একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। চোরদের খোঁজে ও এই চুরির পেছনে কোনো বড় চক্র বা কোম্পানির ভেতরের কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অভিনব চুরির ঘটনাটি জানাজানি হতেই গোটা বিহারজুড়ে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে।