দেশ
মধ্যরাতে বিবাহিত প্রেমিকার বাড়িতে, যুবকের হাত কেটে নিল মহিলার দ্বিতীয় প্রেমিক
প্রকাশিত: ৩০ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার মাশুল দিতে হলো এক যুবককে। রাগের বশে ধারালো রামদা দিয়ে কুপিয়ে ওই যুবকের হাত শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কর্ণাটকের চিক্কামাগালুরু জেলায় এই রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আক্রান্ত যুবক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আহত বছর আটাশের ওই যুবকের নাম অরুণ। ঘটনাটি ঘটেছে চিক্কামাগালুরুর এনআর পুরা তালুকের বালেহন্নুর সংলগ্ন হুভিনাহাকলু গ্রামে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শেষগিরি। জানা গেছে, যে বিবাহিত নারীর সঙ্গে অরুণের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, শেষগিরি ওই নারীরই এক নিকট আত্মীয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই নারীর সঙ্গে অরুণের মেলামেশা এবং প্রেমের সম্পর্ক কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিল না তাঁর পরিবার। এই নিয়ে এর আগেও অরুণকে বেশ কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। ঘটনার দিন গ্রামে অরুণকে একা পেয়ে আচমকাই তাঁর ওপর চড়াও হন শেষগিরি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিজের সঙ্গে আনা ধারালো রামদা দিয়ে অরুণের ওপর নৃশংস হামলা চালান তিনি। কোপের আঘাতে অরুণের একটি হাত শরীর থেকে পুরোপুরি কেটে আলাদা হয়ে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় অরুণ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেন অভিযুক্ত শেষগিরি। গ্রামবাসীরাই দ্রুত অরুণকে উদ্ধার করে এবং কাটা হাতসহ তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে যুবকের অবস্থা এখনও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
এই ঘটনার পর হুভিনাহাকলু গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বালেহন্নুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শেষগিরির বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা ও মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আঘাতের মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। তাঁকে গ্রেফতার করতে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

