বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

কাবেরী নদীতে ডুবে একই পরিবারের ৪ মহিলাসহ মৃত ৫

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৬
কাবেরী নদীতে ডুবে একই পরিবারের ৪ মহিলাসহ মৃত ৫
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: পারিবারিক তীর্থভ্রমণ নিমেষের মধ্যে বদলে গেল চরম ট্র্যাজেডিতে। কর্ণাটকের মাণ্ড্য জেলার মুথথির কাছে কাবেরী নদীতে ডুবে মৃত্যু হলো একই পরিবারের চার মহিলাসহ মোট পাঁচজনের। বুধবার বিকেলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, একজনকে বাঁচাতে গিয়ে বাকিরা নদীর তীব্র স্রোত ও গভীর জলের ঘূর্ণিতে তলিয়ে যান।মৃতরা হলেন— চৈত্র (২০), শ্বেতা (৩৮), বিজয়াম্মা (৫০), প্রিয়াঙ্কা (২৮) এবং মহেশ, যিনি তাঁদের ভাড়ার গাড়ির চালক ছিলেন। তাঁরা মূলত চান্নাপাটনার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বেঙ্গালুরুর ব্যাদাদাহাল্লি এলাকায় থাকতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি চার বছরের শিশুসহ পরিবারের ছয় সদস্য তীর্থযাত্রায় বেরিয়েছিলেন। প্রথমে কাব্বালাম্মা মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর বিকেল ৪টে নাগাদ তাঁরা মুথথিরায়া মন্দিরে পৌঁছান। পুজো শেষে তাঁরা পাশেই কাবেরী নদীর ঘাটে যান।
মাণ্ড্য জেলার পুলিশ সুপার (SP) শোভা রানি জানান, জল হাঁটু সমান মনে করে তাঁরা নদীতে নেমে ছবি তুলছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হোমগার্ডরা তাঁদের নদীর গভীরে যেতে নিষেধও করেছিলেন। কিন্তু সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তাঁরা কিছুটা এগিয়ে যেতেই জলের গভীরতা ও তীব্র আন্ডারকারেন্ট (অন্তর্মুখী স্রোত) বুঝতে ভুল করেন।বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা, ব্যর্থতা ও উদ্ধারপ্রথমেই পা পিছলে নদীর গভীর অংশে তলিয়ে যেতে শুরু করেন ৫০ বছর বয়সী বিজয়াম্মা। তাঁকে ছটফট করতে দেখে চৈত্র এবং পরিবারের অন্য মহিলারা বাঁচাতে ছুটে যান। কিন্তু জলের গতি এত বেশি ছিল যে একে একে সবাই তলিয়ে যান। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে রবি নামে পরিবারের আরেক সদস্যও ডুবতে বসেছিলেন, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। আশ্চর্যজনকভাবে রক্ষা পেয়েছে চার বছরের শিশুটি।
ঘটনার পর ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিস এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীরা যৌথ তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ নদী থেকে পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলি মাণ্ড্য ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (MIMS) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।